মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে জড়িয়ে পড়ায় তাইওয়ান কার্যত একঘরে—এই পরিস্থিতিতে সুযোগ নিয়ে তাইওয়ানকে চারদিক থেকে চাপে রাখছে চিন। ১৯টি যুদ্ধবিমান ও ৯টি নৌযান মোতায়েন করে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে বেজিং, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কূটনীতি করে পাকিস্তান পেয়ে গেল ‘পুরস্কার’! হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানের সঙ্গে বড় চুক্তি, চমকে দিল চাল!
advertisement
এর একদিন আগেও একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়। তখন ১৫টি সামরিক বিমান মোতায়েন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১১টি মধ্যরেখা অতিক্রম করে। এই বিমানগুলি যৌথ আকাশ ও নৌ মহড়ায় অংশ নেয়। তাইওয়ানের সেনাবাহিনী এই সমস্ত গতিবিধির উপর নজর রাখে এবং পাল্টা প্রস্তুতির ইঙ্গিতও দেয়।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছনোর সময়েই এই ঘটনাগুলি ঘটছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চিন তাইওয়ানের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিচ্ছে।
চিন ও তাইওয়ানের বিরোধ বহুদিনের। চিন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে, অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দেখে। এই দ্বন্দ্বই দুই পক্ষের মধ্যে প্রধান সংঘাতের কারণ। চিন একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ হলেও, মার্কিন হামলার পরও চিন সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করেনি। শুধু বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে বেজিং। বিশ্লেষকদের মতে, এর পিছনে বড় কারণ তাইওয়ান ইস্যু। চিন এখন সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে ‘চাপ তৈরির’ কৌশল নিচ্ছে। অর্থাৎ, ধারাবাহিক সামরিক তৎপরতার মাধ্যমে তাইওয়ান ও তার মিত্রদের উপর চাপ বাড়াচ্ছে, কিন্তু সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চাইছে না।
