এক্স হ্যান্ডেলে রীতেশ লেখেন, “একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমরা অজিত দাদাকে হারিয়েছি। আমি গভীরভাবে মর্মাহত। এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। মহারাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে তিনি একজন। তিনি কখনও তাঁর কথা থেকে সরেননি। তাঁর বুদ্ধিমত্তা অতুলনীয় ছিল। তাঁর অকাল মৃত্যু এক বিশাল ক্ষতি। এই অপূরণীয় শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়।” তিনি আরও বলেন, “আমি অসংখ্যবার তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতার সৌভাগ্য পেয়েছি। তিনি আমার প্রতি যে মনোভাব দেখিয়েছেন তা আমি সর্বদা মনে রাখব।”
advertisement
রীতেশ দেশমুখ নিজে মহারাষ্ট্রের একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁর বাবা বিলাসরাও দেশমুখ ছিলেন রাজ্যের অন্যতম সম্মানিত নেতা এবং দু’বারের মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমবার ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ এবং দ্বিতীয়বার ২০০৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তাঁর দৃঢ় রাজনীতির ধরন এবং জনগণের সঙ্গে দৃঢ় সংযোগের জন্য পরিচিত ছিলেন বিলাসরাও দেশমুখ। দীর্ঘ অসুস্থতার পর ২০১২ সালে মারা যান তিনি। রিতেশ প্রায়শই তাঁর মূল্যবোধ এবং জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির জন্য তাঁর বাবার প্রভাবের কথা বলেছেন। তাঁর মা বৈশালী দেশমুখও অ্যাক্টিভিস্ট।
সূত্রের খবর, বারামতীতে অবতরণের সময় বিমানটিতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিমানচালক জরুরি অবতরণের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি৷ বিমানবন্দরের বাইরেই ভেঙে পড়ে বিমানটি৷ পওয়ারের বিমানটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫৷ যাতে ছয় থেকে আট জন বসতে পারেন৷ বিমানে অজিতের সঙ্গে আরও দু’জন পওয়ার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন৷ একজন ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী এবং একজন অ্যাটেনড্যান্ট, তিনি এনসিপি কর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷ পাশাপাশি, বিমানে ছিলেন একজন PIC এবং FO দুই বিমানকর্মীও৷ ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় সকলেরই মৃত্যু হয়েছে৷
