ভাস্কর উপাধ্যায় জোর দিয়ে বলেছেন, ‘‘কাউকে শুধু আশ্বাসের ভিত্তিতে জেলে পাঠানো উচিত নয়। আমরা কোর্টকে বলেছি, যদি এটা শুধু আর্থিক বিষয় হয়, তাহলে আমরা জেলে গিয়ে তাদের কাছ থেকে নির্দেশ নেব। আজ আমরা জেলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। আমরা তাদের ব্যক্তিগতভাবে দেখা করব যাতে আদালতের আগে দেওয়া আশ্বাস নিয়ে এখনের অবস্থান বুঝতে পারি।’’
advertisement
ভাস্কর উপাধ্যায় আরও বলেছেন, ‘‘যদি আমরা টাকা দিয়ে দিই, তাহলে বিষয়টা সমঝোতার মতো দেখা হবে। মূল ৫ কোটি টাকা বেড়ে ১১ কোটি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত আমরা এই মামলায় ২.৫ কোটি টাকা দিয়ে দিয়েছি। প্রায় ১ কোটি টাকা আগেই রেজিস্ট্রি-তে জমা হয়েছে এবং আজ আমরা ২৫ লাখ টাকার চেকও নিয়ে এসেছি। যেকোনও সাহায্য মিলছে, আমরা সেটা আদালতে জমা দিতে প্রস্তুত।’’
ভাস্কর উপাধ্যায় শেষে বলেছেন, ‘‘এই মামলায় কোনও বড় সমস্যা নেই। এখন শুধু প্রশ্ন হচ্ছে, কোর্ট সোমবার কী সিদ্ধান্ত নেবে।’’ জানিয়ে রাখি, রাজপালের পক্ষে সলমন খান, অজয় দেবগন-সহ অনেক বলিউড তারকারা সামনে এসেছেন ৷ নিজেদের ইচ্ছামতো রাজপালকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবি করছেন। মিকা সিং অন্য তারকাদের কাছেও আবেদন করেছেন।’’
আরও পড়ুন– কলকাতা বিমানবন্দরে বিমানে বোমাতঙ্ক ! একটা চিরকূটেই ছড়াল আতঙ্ক, নামিয়ে আনা হল যাত্রীদের
রাজপাল যাদব-এর পুরো ঘটনা কী?
রাজপাল যাদব ৫ ফেব্রুয়ারি-তে তিহাড় জেলে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। দিল্লি হাইকোর্টে তাঁকে অনেকদিন ধরে চলা চেক বাউন্স মামলাগুলোতে আরও সময় দিতে অস্বীকার করেছিল। এই ঘটনা ২০১০ সালের, যখন রাজপাল তাঁর ডিরেক্টোরিয়াল ডেবিউ ফিল্ম ‘আতা পতা লাপাতা’ (২০১২)-র জন্য দিল্লির মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ছবিটি ফ্লপ হওয়ায় বড়সড় ক্ষতি হয় এবং আর্থিক বিবাদ শুরু হয়।
