আইসিইউ ছবির পরিচালক সৌভিক দে ৷ প্রয়োজন ডা.মনোরঞ্জন জানা এবং গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন অভিষেক ভট্টাচার্য ৷ ছবিটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আরও এক আবেগঘন মুহূর্ত। ডাবিংয়ের সময়ে রাহুল নিজেই হেসে বলেছিলেন, ‘‘এটা হয়তো আমার শেষ ছবি…’— তখন কথাটি নিছক রসিকতা হলেও সেটাই যে শেষপর্যন্ত সত্যি হয়ে যাবে, কে জানত ৷ পরিচালকের কথায়, ‘‘তখন আমরা কেউই কথাটার গভীরতা বুঝতে পারিনি… আজ সেই কথাটাই বারবার কানে বাজছে।’’
advertisement
পরিচালক সৌভিক দে-র কথায়, ‘‘একেবারেই অপ্রত্যাশিতভাবে আমরা হারালাম রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিশ্বাস করা কঠিন… খুবই কঠিন। কিছুদিন আগেও একসঙ্গে কাজ করেছি, গল্প করেছি, হাসি-ঠাট্টা করেছি—আর আজ তিনি নেই। এই হঠাৎ চলে যাওয়াটা যেন মেনে নেওয়া যায় না। রাহুল দা শুধু একজন অসাধারণ অভিনেতা ছিলেন না, একজন দারুণ মানুষও ছিলেন। সেটে তাঁর উপস্থিতি সবসময় একটা আলাদা এনার্জি নিয়ে আসত। ওঁর নিষ্ঠা, অভিনয়ের গভীরতা—আমার এই ছবির প্রতিটা ফ্রেমে থেকে যাবে।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন সহযোদ্ধা, একজন পথপ্রদর্শককে হারালাম। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি। আপনি আমাদের মাঝে না থাকলেও, আপনার কাজ আর স্মৃতি চিরকাল বেঁচে থাকবে। সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা হল—এই ছবিটা নিয়ে ওনার একটা আলাদা ভালবাসা ছিল।’’
