মিঠুনকে উদ্ধৃত করে পিটিআই লিখেছে, ‘শরীরের যত্ন না নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী খুব বকেছেন’। তবে মিঠুন জানিয়েছেন, তিনি এখন ভাল আছেন। বলেছেন, ‘কোনও সমস্যা নেই। একদম সুস্থ আছি। তবে খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দেখা যাক কত তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করতে পারি। হয়তো কাল থেকেই আবার নেমে পড়ব’।
গত শনিবার হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন মিঠুন। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাপেলো হাসপাতালে। পরে অ্যাপেলো তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর স্ট্রোক হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন- একটুর জন্য প্রাণে রক্ষা…! গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন, বিরাট দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন টলি নায়িকা
বলা হয়, ‘৭৩ বছর বয়সী জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে সকাল ৯.৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতার অ্যাপেলো মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। মস্তিষ্কের এমআরআই, রেডিওলজি-সহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়েছে। তাঁর ইস্কেমিক সেরিব্রোভাসকুলার অ্যাকসিডেন্ট (স্ট্রোক) ধরা পড়েছে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সচেতন। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। তরল খাবার খাচ্ছেন। মিঠুনের চিকিৎসার জন্য নিউরো-ফিজিসিয়ান, কার্ডিওলজিস্ট এবং গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্টদের নিয়ে একটি মেডিক্যাল টিম তৈরি করা হয়েছে’।
আরও পড়ুন- একটুর জন্য প্রাণে রক্ষা…! গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন, বিরাট দুর্ঘটনা থেকে বাঁচলেন টলি নায়িকা
সম্প্রতি পদ্মভূষণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মিঠুন। এই খবর জানার পর উচ্ছ্বসিত মহাগুরু বলেছিলেন, ‘আমি খুব খুশি। সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারও কাছে কখনও কিছু চাইনি। কিন্তু না চাইতেই অনেক কিছু পেয়েছি। খুব ভাল লাগছে। অন্যরকম অনুভূতি’।
প্রসঙ্গত বলে রাখা ভাল, ইস্কেমিক স্ট্রোক এমন একটি অবস্থা যেখানে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন না যাওয়ার কারণেই এমনটা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে সময়মতো চিকিৎসা না হলে মস্তিষ্কের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকী প্যারালাইসিস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
