২০১৭ সালে মুম্বইয়ের নগর দায়রা আদালত অনিতা আডবাণীর আবেদন খারিজ করেছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তবে উচ্চ আদালতও সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করেনি। অনিতা আডবাণীর দাবি ছিল, রাজেশ খান্নার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল এবং ২০১২ সালে অভিনেতার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাঁরা একসঙ্গেই বসবাস করতেন। তাঁর অভিযোগ, সিঁদুর পরিয়ে তাঁকে বিয়ে করেছিলেন রাজেশ খান্না এবং তাঁদের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতোই ছিল। রাজেশ খান্নার মৃত্যুর পর ‘আশীর্বাদ’ বাংলো থেকে তাঁকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ তোলেন অনিতা। এই ঘটনার পর তিনি ‘প্রোটেকশন অফ ওমেন ফ্রম ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট, ২০০৫’-এর আওতায় ডিম্পল কাপাডিয়া এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেন।
advertisement
রাজেশ খান্না ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুপারস্টার ছিলেন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে তিনি টানা ১৫টি একক হিট চলচ্চিত্র উপহার দেন, যা হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে একটি রেকর্ড। তিনি তাঁর কর্মজীবনে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন এবং একাধিকবার মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব করে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে অভিনেত্রী ডিম্পল কাপাড়িয়াকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই কন্যা সন্তান ছিল, যাঁদের মধ্যে একজন অভিনেত্রী টুইঙ্কল খান্না। কর্মজীবনে রাজেশ খান্না ১৬০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে ১০০টিরও বেশি ছিল প্রধান চরিত্রে। তাঁকে ২০০৫ সালে ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ২০১৩ সালে মরণোত্তর ভারতের পদ্মভূষণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
