৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জনসমক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা চাক মিমি, নোটিসে এমনটাই আবেদন বনগাঁর অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীর। তনয়ের আইনজীবী তরুনজ্যোতি তিওয়ারি দেওয়ানি ও ফৌজদারি, উভয় মামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নোটিসে।
অভিযোগ, রাত ৯:৩০ আসার কথা ছিল মিমির। কিন্তু তিনি পৌঁছান রাত ১১:৩০ নাগাদ। রাত ১২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছিলো SDO বনগাঁ। এদিকে চলতি মাসে আদালতে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে মিমি প্রথমে শুধু হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন। সেই মামলার তদন্তে বাধা দিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতেও জড়ায় তনয় এবং তার দুই সহযোগী। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল তনয়কে। জানা যাচ্ছে, এ বার তার বিরুদ্ধে উঠেছে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগও। সূত্রের খবর, শারীরিক হেনস্থার বাড়তি একটি অভিযোগ দায়ের হয় তনয়ের বিরুদ্ধে। সেই জায়গা থেকেই মিমির গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয় বলে খবর।
advertisement
ঠিক কী ঘটেছিল? জানা যায়,বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জ এলাকায় রাতে অনুষ্ঠান করতে যান মিমি। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন ‘অমার্জিত ভাবে’ মঞ্চ থেকে তাঁকে নেমে যেতে বলে তনয়। পরবর্তীতে স্থানীয় থানায় ই-মেল মারফত লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন মিমি। পুলিশ সূত্রে খবর, মিমির অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তের কাজে তনয়ের বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। সেই সময়ে তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয় বলে পুলিশের অভিযোগ। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেই সে দিন তনয়কে গ্রেফতার করা হয়।
