এদিন পশ্চিমবঙ্গ ডোম উন্নয়ন পর্ষদ গঠন, ভূমিহীনদের পাট্টা প্রদান, আবাস যোজনার বাড়ি এবং শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান-সহ মোট ১৪ দফা দাবিতে সরব হয় ভারতীয় ডোম সমাজ বিকাশ পরিষদ। কুলো, ঝুড়ি, হাতপাখা ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল শহর পরিক্রমা করে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের দফতরে স্মারকলিপি জমা দেয়।
advertisement
এদিন ভুবন বাদ্যকর আক্ষেপের সুরে বলেন, বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেলেও তিনি এখনও সরকারি শিল্পীভাতা পান না। তিনি বলেন, “আমি শিল্পীভাতা পাইনি বলেই আজ ডিএম সাহেবের কাছে এসেছি। শুধু আমি নই, আমাদের সমাজের যাঁরা দিনরাত বাঁশের কাজ করেন বা ঢাক বাজান, তাঁদের প্রত্যেকেরই কার্ড হওয়া উচিত।”
বীরভূম জেলাকে নিজের গানের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছেন দাবি করে তিনি আরও বলেন, “বীরভূমকে ভগবান আমার মুখ দিয়ে চিনিয়েছেন।” যদিও তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। ভুবন বাদ্যকরের শিল্পীভাতা না পাওয়া প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালের পর থেকে নতুন করে শিল্পীভাতার জন্য নাম নথিভুক্তকরণ বন্ধ রয়েছে। ভুবনবাবু ভাইরাল হওয়ার পর করোনা আবহে আবেদন জানিয়েছিলেন, যা নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
ডোম সমাজের এই বিক্ষোভ ও ভুবন বাদ্যকরের উপস্থিতি এদিন জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিশেষ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। এখন দেখার, এই স্মারকলিপি প্রদানের পর প্রশাসন তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।