নাবালিকা হওয়ায় তাকে একা দুবাই ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হবে না। অঙ্কিতা এবং তাঁর মা যৌথভাবে তাদের পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা সত্ত্বেও, কেবল অঙ্কিতাই পাসপোর্ট পেয়েছিল যখন তাঁর মা পাসপোর্ট পাননি। চ্যানেল তাকে তিন দিনের মধ্যে নিজের এবং তার মা উভয়ের পাসপোর্টের স্টেটাস জমা দিতে বলেছিল। সেই সময় অঙ্কিতা বাদ পড়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিলেন।
advertisement
প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য পরিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে যোগাযোগ করে। তিনি এতে হস্তক্ষেপ করেন – যার পরে অঙ্কিতার মা শনিবার তাঁর পাসপোর্ট পান এবং তাঁরা দুজনেই পরবর্তী রাউন্ডের শোয়ের জন্য দুবাই ভ্রমণের জন্য প্রস্তুতি নেন।
এরপর অঙ্কিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় ধন্যবাদ জানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ কারণ এভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তা ছাড়া কোনওভাবেই দুবাই পৌঁছতে পারত না অঙ্কিতা ও তাঁর মা৷ আপাতত ইন্ডিয়ান আইডলের শেষ কয়েকটি রাউন্ডের জন্য তৈরি হচ্ছে অঙ্কিতা৷ নিজের সেরা পারফরম্যান্স দিতে চলেছে সে৷ বাংলার নাম উজ্জ্বল করতে চলেছে৷ অঙ্কিতা বলছে, বাংলায় ফিরে এসে অবশ্যই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করবে এবং তাঁকে ধন্যবাদ জানাবে৷
