৩৫ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর মিলল জামিন৷ শুনানিতে শমিক অধিকারীর আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা সওয়াল করে আদালতে জানান, মূল এফআইআরের দুই দিন পরে ধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন রায় উদ্ধৃত করে সওয়ালে তিনি বলেন, দুই বন্ধুর মধ্যে সামান্য বচসা বা বিবাদকে ধর্ষণের অভিযোগে রূপান্তর করা যায় না। এ ধরনের পদক্ষেপ প্রকৃত ধর্ষণ অপরাধের গুরুত্ব ও ভিকটিমের যন্ত্রণাকেই ছোট করে। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে এবং কেস ডায়েরি পর্যালোচনা করে শমিক অধিকারীর জামিন মঞ্জুর করে।
advertisement
আদালত ৫০ হাজার টাকার বন্ড এবং দু’জন জামিনদারের শর্তে তাকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া তিনি বিচারাধীন এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না।
