প্রার্থী ঘোষণার পরের দিন সকালেই তিনি পৌঁছে যান বাগান এলাকায়। শ্রমিকদের সঙ্গে বসে কথা বলেন, শোনেন তাঁদের দৈনন্দিন সমস্যার কথা। কারও অভিযোগ মজুরি নিয়ে, কারও বাড়িঘর ভাঙাচোরা, আবার কারও সন্তানদের পড়াশোনার অনিশ্চয়তা—এইসব গল্পই যেন তাঁর প্রচারের মূল সুর হয়ে উঠছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রুটি-রুজি, বাসস্থান, শিক্ষা ও ভেঙে পড়া পরিকাঠামো…এই চারটি সমস্যাই চা বাগানের মানুষদের জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই সমস্যাগুলি সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন দেবরাজ বর্মন। প্রতিদিনই তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন একের পর এক চা বাগানে, বাড়াচ্ছেন যোগাযোগ।
advertisement
এর আগে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েও প্রত্যাশিত ফল পাননি তিনি। তবে পেশায় শিক্ষক এই প্রার্থী এবার ‘মাটির কাছাকাছি’ প্রচারে জোর দিয়ে নতুন করে মানুষের আস্থা জিততে চাইছেন।দেওয়াল লিখন, ছোট ছোট পদযাত্রা ও জনসংযোগ, সব ক্ষেত্রেই তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি। দেবরাজ বর্মনের দাবি, চা বাগান এলাকার দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। চা বাগানের শ্রমিকদের চোখে এখন একটাই প্রশ্ন—এই প্রতিশ্রুতি কি বদলে দেবে তাঁদের আগামী? অপেক্ষা সময়ের।