প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে ভবানীপুর নিয়ে তৃণমূলনেত্রীকে একাধিক প্রশ্ন করেন উপস্থিত সাংবাদিকেরা৷ প্রত্যেক বারই এ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন তিনি৷
আরও পড়ুন: বাদ ৭৪ জন বিধায়ক! পার্থ, জীবনকৃষ্ণ থেকে কাঞ্চন- অনেক বড় নামকেই টিকিট দিল না তৃণমূল
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এ নিয়ে আমার কিছু বলার নেই৷ দল নাম ঘোষণা করে দিয়েছে৷ এটা তো এক দু দিনের ব্যাপার নয়৷ আমি ওখানে প্রত্যেকটা দিন থাকি, প্রতিদিন কাজ করি, সারা বছর থাকি৷’’
advertisement
আরেকজন সাংবাদিকের প্রশ্নে খানিক বিরক্ত হয়েই মমতা বলেন, ‘‘পার্সোনাল কোয়েশ্চন করবেন না৷ দল নাম জানিয়ে দিয়েছে৷ এ বিষয়ে আমি কিছু বলব না৷ আমি বিজেপি নিয়ে কথা বলতে চাইনা৷ এটা আমার শিষ্টাচার বিরোধী৷’’
প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে তৃণমূল ছেড়ে একাধিক নেতা বিজেপিতে যোগ দেন। তার মধ্যে অন্যতম শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন তিনি নন্দীগ্রাম থেকেই নির্বাচনে লড়বেন৷ তা নিয়ে যখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছিল, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভবানীপুর আসন ছেড়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেইসময় তিনি বলেছিলেন, ভবানীপুর যদি তাঁর বড় বোন হয়, তবে নন্দীগ্রাম মেজো বোন।
আলোচনার কেন্দ্র তৈরি হয় নন্দীগ্রাম৷ আবার সিপিএম প্রার্থী করে তরুণ তুর্কি মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তবে শেষপর্যন্ত ভোটে মাত্র ১৯৫৬ ভোটে হারান বিজেপির শুভেন্দুর কাছে হেরে যান মমতা৷ তিনি পান ১ লক্ষ ১০ হাজার ৭৬৪ ভোট। আর মমতা ১ লক্ষ ৮ হাজার ৮০৮ ভোট পান। এই দুই হেভিওয়েটের লড়াইয়ের মাঝে মীনাক্ষী পান ৬ হাজার ২৬৭ ভোট। তবে ভোটের ফল নিয়ে বিতর্ক হয়। এমনকি, গড়ায় আদালত পর্যন্ত৷
