একটি বুথ হলে সেখানে হাফ সেকশন অর্থাৎ চারজন এবং একটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে দুটি বুথ থাকলে সেখানে আটজন কেন্দ্রীয় বাহিনী অর্থাৎ এক সেকশন রেখেই ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে মোতায়েন হয়েছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট ঘোষণার আগেই বুথে বুথে রুট মার্চ শেষ করিয়েছে কমিশন। কোন জেলায় কত পরিমান বাহিনী মোতায়েন হবে তা নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কমিশন এমনটাই কমিশন সূত্রে খবর।
advertisement
প্রসঙ্গত, হিংসা-মুক্ত নির্বাচন, উৎসবের মেজাজে নির্বাচনের কথা বার বারই সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, ভোটের দিন থেকে গণনা ৪ মে পর্যন্ত পুরো সময়ে রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে কমপক্ষে ২,০০০-কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
দিল্লির ‘নির্বাচন সদন’-এ সাংবাদিক বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর দফার সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে নির্বাচন পরিচালনা আরও কার্যকর ও সুবিধাজনক হয়। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বাকি রাজ্য, অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পন্ডিচেরিতে ভোট হবে একদিনেই।
প্রসঙ্গত, প্রায় ৫০ বছর পর বাংলায় দু’দফায় নির্বাচন। সে বছর জুন মাসে ১১ ও ১৪ জুন ভোট হয়। এরপর ২১ জুন জ্য়োতি বসুর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে।তারপর দীর্ঘ সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হয়েছে। গত কয়েকটি বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য ভোট হয়েছে ৭-৮ দফায়। প্রায় ৫০ বছর পর ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হবে মাত্র দু’দফায়। আর এই ভোট পর্বে যে কোনও রকম হিংসা রুখতে ২ হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবার বাংলায়।
