এই পুরস্কার দিয়েছে আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা Taylor & Francis। জানা গিয়েছে, ইলাস্টোমার-ভিত্তিক এনার্জি হারভেস্টার নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার জন্যই এই স্বীকৃতি। ড. মণ্ডলের গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল এমন উন্নত রাবার-ভিত্তিক উপাদান তৈরি করা, যা দিয়ে ব্যাটারিবিহীন পরিধানযোগ্য ইলেকট্রনিক্স বানানো সম্ভব হবে।
advertisement
বিশেষ করে দুর্গম ও সম্পদ-স্বল্প এলাকায় স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি বড় ভূমিকা নিতে পারে। তাঁর গবেষণায় পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহারের উপরও বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর কাজ আন্তর্জাতিক মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে। প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার-এ তাঁর গবেষণা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনেস্কোর তরফেও তিনি বিশেষ প্রশংসা পেয়েছেন।
যদিও আগে একাধিক সম্মান পেয়েছেন তিতাশ মণ্ডল। ২০২৫ সালে তিনি আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির মর্যাদাপূর্ণ ‘স্পার্কস–থমাস অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছেন। কোনও ভারতীয় শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনিই প্রথম এই সম্মান পান। এই বিষয়ে আইআইটি খড়গপুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড. মণ্ডলের এই সাফল্য শুধু প্রতিষ্ঠানের নয়, গোটা দেশের গর্ব। গবেষণা ও উদ্ভাবনে ভারত যে দ্রুত এগোচ্ছে, তারই উজ্জ্বল প্রমাণ এই সম্মান।
