আজকের পরীক্ষায় গ্রুপ–সি পদে চাকরিহারা যোগ্য প্রার্থীরাও অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষা ঘিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। পরীক্ষাকেন্দ্রে বুট বা বন্ধ জুতো পরে আসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ—পরীক্ষার্থীদের হাওয়াই চটি বা চপ্পল পরে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটের পর আর কোনও পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুনঃ ল্যান্ডিং ব্যর্থ, ৩০ ঘণ্টা বিমানে! বেঙ্গালুরুতে নেপালগামীযাত্রীদের তীব্র প্রতিবাদ
advertisement
অযোগ্য পরীক্ষার্থীদের ঠেকাতে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে অযোগ্য ঘোষিত পরীক্ষার্থীদের নাম ও বিস্তারিত তালিকা পাঠানো হয়েছে, যাতে কোনওভাবেই তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারেন।
এদিকে রাজ্যের বাইরে থেকেও বহু পরীক্ষার্থী আজ কলকাতার বিভিন্ন কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে এসেছেন। যোধপুর পার্ক বয়েজ স্কুল-এ পরীক্ষা দিতে আসা সন্তোষ প্রসাদ জানান, তিনি উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর জেলার বাসিন্দা এবং একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তাঁর কথায়, “গত পাঁচ বছর ধরে উত্তরপ্রদেশে কোনও নিয়োগ হয়নি, তাই বাংলায় সুযোগ পেয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছি।”
একইভাবে বিহারের অরবিন্দ যাদব ও সোয়েল আক্তার এসেছেন মহারাজা মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে। তাঁদের অভিযোগ, বিহারে বহু বছর ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত থাকায় বাধ্য হয়ে দূর রাজ্যে এসে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।
বিকাশ কুমার নামে আরেক পরীক্ষার্থী জানান, তিনি ২০২২ সালে বিহারে পরীক্ষা দিয়েছিলেন, কিন্তু তালিকায় নাম না আসায় আবার নতুন করে কলকাতায় পরীক্ষা দিচ্ছেন। তবে বিধিনিষেধের কারণে বুট জুতো পরে আসায় অনেককেই কেন্দ্রে ঢোকার আগে জুতো খুলে রাখতে হয়েছে। সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পুলিশ ও প্রশাসনের কড়া নজরদারি ছিল সমস্ত কেন্দ্রেই।
