জানা গিয়েছে, শ্রীনিকেতনে একটি আধুনিক গোশালা গড়ে তোলা হবে। সেখানে মালিকানাহীন গোরুদের রাখা হবে, গোবর থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন করে পথবাতি জ্বালানো হবে এবং দুধ পাঠভবনের ছাত্রাবাসে পাঠানো হবে। আরও জানা যায়, রবীন্দ্রভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও কার্যালয়ের নথি আগামী দু’বছরের মধ্যে বিনা পারিশ্রমিকে ডিজিটালাইজেশন করবে এশিয়াটিক সোসাইটি। ইতিমধ্যেই মউ স্বাক্ষর হয়েছে। এপ্রিলের মধ্যে বিশ্বভারতীকে সম্পূর্ণ ‘পেপারলেস’ ই-অফিসে পরিণত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
advertisement
এছাড়া, বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে আয়রনমুক্ত জল পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় ১০ লক্ষ টাকার বই বিক্রি হয়েছে, দিল্লি বইমেলাতেও অংশ নেবে বিশ্বভারতী। শ্রীনিকেতন ও পূর্বপল্লীতে জৈব সার তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতেই সমাবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে আগের মতো দোলের দিন বসন্তোৎসব হবে না বলে স্পষ্ট জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রাক্তনীদের সহযোগিতা এবং ইউনেসকোর নির্দেশিকা মেনে ক্যাম্পাসের উন্নয়নই এখন প্রধান।
বোলপুর শান্তিনিকেতন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের পড়ুয়াদের কাছে এক ঐতিহ্যবাহী জায়গা। এপার বাংলা ছাড়াও ওপার বাংলার বহু পড়ুয়ারা এই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। আর এই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার তৈরি হচ্ছে যোগ গ্রাম ও যোগ পার্ক।থাকছে যোগ থেরাপি ও ন্যাচারোপ্যাথি চিকিৎসার ব্যবস্থাও। জানা গেছে এই মুহূর্তে শিক্ষামন্ত্রকের তরফে এই মর্মে প্রায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ জানিয়েছেন, যোগ গ্রামে থাকবে ধ্যান কুঠির, প্রাণায়াম কুঠির, যোগাসন কুঠির, আয়ুর্বেদ কুঠির, ক্রিয়া কুঠির, যোগ থেরাপি কুঠির এবং ভেষজ
