বাবা বিজেপির সমর্থক, যোগ দিয়েছিলেন বিজেপির যুব মোর্চার কর্মসূচিতে। সেই ‘অপরাধে’ পরীক্ষার আগের দিন মারধর করা হয়েছে ওই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে। পরিবারের অভিযোগ এমনটাই।
অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি শেখ সাহাদ আলি ওরফে লকাইয়ের নেতৃত্বে বিজেপি সমর্থক দীপক অধিকারীর দোকানে গিয়ে অশান্তি পাকানো হয়। তারই জেরে মারধর করা হয় দীপকবাবুর ছেলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, বেরুগ্রাম অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি শেখ সাহাদ আলি ওরফে লকাইয়ের নেতৃত্বে বুধবার বোঁয়াইচণ্ডী মন্দির সংলগ্ন একটি দোকানে হামলা চালানো হয়। তখনই ব্যবসায়ী দীপক অধিকারীর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছৃলেকে মারধর করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার পর আহতরা খণ্ডঘোষ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা করান এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
advertisement
অভিযোগ, শেখ লকাইয়ে বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কয়েক মাস আগে বোঁয়াইচণ্ডী বাজারের ব্যবসায়ী সুবীর মণ্ডলকে গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের দাবি, বিজেপি যুব মোর্চার ‘চাকরি চায় বাংলা’ কর্মসূচিতে সহযোগিতা করায় দীপক অধিকারীর উপরে এই হামলা চালানো হয়েছে।
এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি। তবে শুনেছি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সুতরাং পুলিশ প্রশাসন তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।’
তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি অভিযুক্ত শেখ সাহাদ আলির বক্তব্য, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ। দীপক অধিকারীর মৃত ভাইয়ের স্ত্রী জমির ভাগ চাইতে গিয়ে নিগৃহীত হন। সেই খবর পেয়ে আমি ছেলেদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে যাই। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।’
