গলসির সাঁকো সিএস স্কুলের এক পড়ুয়া মোবাইল সহ ধরা পড়েছে গলসির কালীমতি দেবী স্কুলে। আজ উচালন হাই স্কুলে সেহারাবাজার সি কে স্কুলের এক পরীক্ষার্থী একই কায়দা করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। এছাড়া কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানি বালিকা বিদ্যালয়ে কাটোয়া কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউটের এক পরীক্ষার্থীও এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে টুকলি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে।
advertisement
ওই তিন পরীক্ষার্থী লুকিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছিল। তারা প্রশ্নপত্র মোবাইল ফোনে স্ক্যান করে এআই-এর মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহ করে তা লিখছিল বলে অভিযোগ। পরীক্ষকরা তাদের এই কীর্তিকলাপ ধরে ফেলে। পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী তাদের পরীক্ষা বাতিল করে তাদের নামে পুলিশে এফআইআর করা হয়েছে।
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। সেজন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার সময় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর তল্লাশি নেওয়া হচ্ছে। তা সত্ত্বেও নজরদারির ফাঁকফোকড় খুঁজে নিয়ে পরীক্ষার্থীদের একটা অংশ মোবাইল ফোন নিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়ছে।
এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানান, মূলত জুতোর ভিতরে, মোজার ভিতরে কিংবা পায়ের সঙ্গে সেলোটেপ আটকে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকেছিল ওই তিন পরীক্ষার্থী। ঢোকার সময় সেই মোবাইল ফোন সুইচড অফ করে রাখা ছিল। এরপর তা সময় মতো অন করে নেওয়া হয় এবং সাইলেন্ট মোডে রাখা হয়। কোনও ফোন এসে গেলে যাতে কেউ বুঝতে না পারে সে কারণেই এই সাইলেন্ট মোডের ব্যবস্থা। এরপর তারা প্রশ্নপত্র স্ক্যান করে নিয়ে এআই অ্যাপে ফেলে উত্তর তৈরি করে নিয়ে তা লেখার কাজ চালাচ্ছিল। সেই সময় পরীক্ষকরা তাদের কারসাজি ধরে ফেলেন। তাদের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
