ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা জুড়ে প্রায় ১০০টির উপর ই-রিকশা বা টোটো নামানো হয়েছে। এই টোটো ছাড়াও কোনও পরীক্ষার্থী যদি তাড়াহুড়োয় অন্য টোটোতে উঠে পড়ে সেক্ষেত্রে পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে গিয়ে ক্যাম্পে কথা বললে ভাড়া বা অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে বলেও জানান হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এবং তাঁর নির্দেশে পর্যবেক্ষক সামিম আহমেদের তত্ত্বাবধানে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে।
advertisement
ডায়মন্ডহারবারের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও এলাকায় টোটোগুলি মোতায়েন করা হয়েছে। সেখান থেকে পরীক্ষার্থীদের সরাসরি পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পরিষেবার জন্য কোনও ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। ফলে আর্থিকভাবে স্বস্তি পাচ্ছেন বহু পরিবার। বিনামূল্যে এই পরিষেবা পেয়ে খুশি পরীক্ষার্থীরাও।
আরও পড়ুন: কতদিন ‘বাঁচবেন’? আয়ুর বড় ‘ক্লু’ লুকিয়ে রয়েছে নখেই! নিজে দেখেই বুঝতে পারবেন কীভাবে? জানুন
এক পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, “আমার অনেক বন্ধু এই টোটোতে করে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছেছে। আমি প্রথমে স্কুল খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এখানে এসে জানতে পারি টোটো পরিষেবা রয়েছে। তারপর টোটো করে আমাকে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়।” এই কাজের ফলে খুশি অভিভাবরাও। মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষ দিন পর্যন্ত এই কাজ চলবে।
