এস আই আর এর প্রভাব পড়লো না মাধ্যমিক পরীক্ষায় দাবি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতির। তিনি বললেন যে যারা এস আই এর এর ডিউটিতে রয়েছেন তারা সকলে ই নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরের সাউথ সাইট হাইস্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে একজন ছাত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ভুয়ো নথি নিয়ে ধরা পড়ে। জানা যায়, ওই ছাত্রকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময়েই হাতেনাতে ধরে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব থাকা শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ছাতার স্টিকে ভর দিয়েই এস আই আর হিয়ারিং সেন্টারে হাজির প্রাক্তন সার্কাস শিল্পী মনোরঞ্জন
বাঁকুড়ার গোপীনাথপুর সরোজ বাসি হাই স্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল নিয়ে ধরা পড়ে এক পরীক্ষার্থী। জানা গিয়েছে ওই পরীক্ষার্থী দেওপাড়া চাপা মনি হাই স্কুলের ছাত্রী। পরীক্ষা চলাকালীন দেড় ঘন্টা মাথায় ধরা পড়ে।তবে মোবাইলে কোনরকম ছবি বা উত্তর কিছু পাওয়া যায়নি বলে পর্ষদ সূত্রে খবর। ওই ছাত্রীর পুরো পরীক্ষায় বাতিল করা হয়েছে।
বীরভূমের রামপুরহাটের ডি আর এস এম বিদ্যায়তনের দুই ছাত্র খাতা ছিড়ে ফেলে বাইরে নিয়ে গিয়েছিল। আবার পরীক্ষা কেন্দ্রে ফিরে স্ট্যাপেল করেন তারপর পরীক্ষা চলাকালী ন তাদেরকে হাতেনাতে ধরেন যে পরীক্ষার গার্ডে দায়িত্বে যিনি ছিলেন। ওই দুজন ছাত্রের খাতা রিপোর্টেড এগেনষ্ট (RA) করা হয়েছে।
৪৫টি স্কুল এর ৫০ জুন ছাত্র-ছাত্রীর এডমিট কার্ড গ্রহণ করল না। এর মধ্যে তিনটি স্কুলের এক আজব ঘটনা। কোন স্কুলে হেডমাস্টার তার ছেলেকে এডমিট কার্ড নিতে পাঠায় পর্ষদের। আবার কোন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ভাগ্নেকে এডমিট কার্ড নিতে পাঠায়।
কলকাতা-সহ উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম জলপাইগুড়ি-সহ ৪৫টি স্কুল। নেই হাওড়া হুগলি জেলা। মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রত্যেকবারই মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর খবরের শিরোনামে আসে ইলেকট্রনিক গেজেট নিয়ে যাওয়া-সহ বিভিন্ন নীতিবাচক কারণে। এবার আগে থেকেই এই তিনটি জেলার প্রত্যেকটি স্কুলে মেটাল ডিটেক্টর নিজেদের উদ্যোগেই কিনেছে।
