১২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। ইতিমধ্যেই খাতা দেখা ও স্কুটিনি-র প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই পর্ষদের তরফ থেকে এই বিধি জারি করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তরপত্র পোকামাকড় বা গৃহপালিত প্রাণীদের দ্বারা যাতে ক্ষতি না হয়, সে দিকে পরীক্ষকদের বিশেষ নজর দিতে হবে। এ ছাড়াও উত্তরপত্র এমন জায়গায় রাখতে হবে যাতে তা সহজে নষ্ট না হয়ে যায়।
advertisement
পর্ষদ সূত্রের খবর, গত বছর বহু খাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোনও খাতায় জল পড়ে গিয়েছে, আবার কোনও খাতা ছিঁড়ে গিয়েছে, কোথাও পোষ্যের আঁচড়ের দাগ পাওয়া গিয়েছে। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সচিব সুব্রত ঘোষ বলেন, “মাধ্যমিক পরীক্ষা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রথম বড় পরীক্ষা। খাতার মূল্যায়নের উপর তাদের ভবিষ্যৎ জড়িত রয়েছে। এই খাতায় সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায় যেমন আমাদের, তেমনই পরীক্ষকদেরও। তাই এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।”
এ ছাড়াও পর্ষদের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তরপত্র গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে প্রত্যেক পরীক্ষককে। কোনও জনবহুল স্থানে মূল্যায়ন করা যাবে না। স্কুলে বসে খাতা দেখা যাবে না। পাশাপাশি পর্ষদের দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষকরা তাদের কাজ সম্পন্ন করে বোর্ডের কাছে খাতা জমা দেবেন। যাতে পর্ষদ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করতে পারে।
