রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং এই তথ্য জানান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ইনফরমেশন সিস্টেম (SEVIS)-এর তথ্যের ভিত্তিতেই এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা—স্কুল, কলেজ, ভাষা প্রশিক্ষণ, ফ্লাইট স্কুল, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও গবেষণা—সব ক্ষেত্র মিলিয়েই এই পতন ধরা পড়েছে।
advertisement
ভ্যাঁপসা গরমে টয়লেটে আটকে ছাত্র! বাইরে থেকে তালা! আড়াই ঘণ্টার আর্তনাদও পৌঁছল না পুলিশের কানে
এই পতনের কারণ হিসেবে ভিসা সংক্রান্ত কড়াকড়িকেই বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর নীতি চালু করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ছাত্রভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে বিস্তৃত যাচাই করা হচ্ছে, এমনকি তাঁদের অনলাইন উপস্থিতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভিসা কোনও অধিকার নয়, বরং একটি বিশেষ সুযোগ। ফলে আবেদনকারীদের নিজেদের যোগ্যতা ও উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে হচ্ছে। শুধু ভিসা পাওয়াই শেষ নয়, ভিসা অনুমোদনের পরেও নিয়ম ভাঙলে তা বাতিল হতে পারে এবং ডিপোর্ট পর্যন্ত করা হতে পারে।
এছাড়া, জুন-জুলাই ২০২৫ সময়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য জারি হওয়া এফ-১ ভিসার সংখ্যাতেও বড় পতন দেখা গিয়েছে। ওই সময়ে ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ৬৯ শতাংশ কম ভিসা ইস্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এই বিষয়গুলি নিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে, যাতে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৈধ ও নিরাপদ শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়।
