1) ছাত্র-ছাত্রীরা কী এবং কতটা শিখছে, তা বোঝা যাবে।
2) আগামী বছরও মাধ্যমিক না হলে এই নম্বর ব্যবহার করা যাবে।
প্রসঙ্গত, এ বছরে করোনা পরিস্থিতির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক কোনও পরীক্ষাই নেওয়া সম্ভব হয়নি। সেক্ষেত্রে আগামী বছরও যদি এই একই পরিস্থিতি চলে, তাহলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ কীভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের নম্বর দেবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলেছে শিক্ষা দফতরে।
advertisement
বৃহস্পতিবার স্কুল শিক্ষা সচিবের বৈঠক বসেছিলেন যাবতীয় বিষয়গুলি নিয়ে। ইতিমধ্যেই তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা যাক, চলতি বছরের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই এগোতে চাইছে শিক্ষা দফতর। এবার আগেভাগেই দুই বোর্ড পরীক্ষা যদি নিতে হয়, তাহলে তার গোটা প্রক্রিয়া কিংবা পরীক্ষা না হলেও তার বিকল্প ভাবনা নিয়ে কাজ সেরে রাখতে চাইছে। তবে করোনা বিধি মেনে কীভাবে ক্লাস চালু করা সম্ভব, আপাতত সেই বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস চালুর কথা প্রাথমিকভাবে করা হলেও ধাপে ধাপে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস এর কথাও ভাবছে রাজ্য সরকার। শীঘ্রই এই বিষয় নিয়ে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলেও জানা গিয়েছে।
