কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত নির্দেশিকায় লেখা রয়েছে, 'কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, বর্তমান সময়ে করোনা অতিমারী পরিস্থিতিতে সমস্ত সেমেস্টারের পড়ুয়াদের টিউশন ফি মকুব করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন সেমেস্টারের পরীক্ষার্থীদের মার্ক শিট বা গ্রেড শিট সংগ্রহ করতেও কোনও রকম ফি জমা দিতে হবে না।'
ফেব্রুয়ারি মাসে পরীক্ষার ফি এবং টিউশন ফি মকুবের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ সে সময় ফি মকুবের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এ বার একই পথে হাঁটল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ও।
advertisement
অতিমারি পরিস্থিতিতে মহা সংকটে পড়েছেন পড়ুয়ারাও। দীর্ঘদিন ধরেই কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। পড়াশোনার পুরোটাই হচ্ছে অনলাইনে। কিন্তু ফি কি আদৌ দিতে হবে? ইতিমধ্যেই সংকটকালে ফি মকুবের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। শিক্ষামন্ত্রীর চেয়ারে বসার পরই এ বিষয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্রাত্য বসু। ফি মকুব সংক্রান্ত আলোচনার পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস, পরীক্ষা ও ফলপ্রকাশ, ছাত্র সংসদের বিধি সহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল সেই বৈঠকে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ফি মকুবের সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন স্নাতকোত্তরের সাড়ে ১২ হাজার পড়ুয়া। উপাচার্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দোপাধ্যায় এ বিষয়ে জানিয়েছেন, “অতিমারিতে অনেক পরিবারের আয় কমেছে, অনেক ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবকেও হারিয়েছেন। সেই সব বিষয় মাথায় রেখেই আমরা সমস্ত ফি মকুব করছি।”
