কালনা, মেমারি, পূর্বস্থলী, মন্তেশ্বর.. কয়েকমাস ধরে ভয়ে কাঁটা ছিলেন মহিলারা। লাল বাইক আর লাল হেলমেট। আচমকাই রড আর চেন নিয়ে হাজির আততায়ী। বেছে বেছে হামলা মহিলাদের উপরেই। গত কয়েকমাসে অন্তত তেরোজন মহিলার উপর হামলা চালায় সে। বাদ যায়নি নাবালিকারাও। কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েকজন বেঁচে গিয়েছেন। এখানেই প্রশ্ন, কামারুজ্জামানের মনে এমন কী চলছিল, যার জন্য সে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যেত? এই উত্তর দিতে পারেনি সে নিজেই।
advertisement
পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার ধরা পড়ার সময়েও সে খুনের উদ্দেশেই যাচ্ছিল। পুলিশের কাছেও খুনের কারণ স্পষ্ট নয়। খুনের পর ধর্ষণেরও চেষ্টা। যৌনাঙ্গ ছিন্নভিন্ন। এমনকী, কোনও কারণ ছাড়াই একের পর এক খুন। অপরাধ মনস্তত্ত্ববিদ হিরম্ময় সাহা বলছেন, বিরল ঘটনা।
পুলিশ জানতে পেরেছে, এর আগে চুরির ঘটনায় ধরা পড়েছিল কামারুজ্জামান। তখনও কি নিছক লুঠের উদ্দেশ্যই ছিল? না কি কোনও মহিলাকে টার্গেট করেছিল সে? তদন্তের জট খোলার চেষ্টায় পুলিশ। অপরাধ মনস্তত্ত্ববিদদের সাহায্য নেবে পুলিশ।
