২০২৬ সালের বাজেট থেকে মধ্যবিত্তরা কী প্রত্যাশা করছেন-
১. আয়কর ছাড় – মধ্যবিত্তদের হাতে থাকা বেতন বাড়াতে কর ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি এবং কর হার কমানো।
২. সরল ও স্বচ্ছ কর ব্যবস্থা – আইটিআর দাখিল করা সহজ করা উচিত, অপ্রয়োজনীয় কর বিজ্ঞপ্তি হ্রাস করা উচিত এবং নিয়ম সম্পর্কে কোনও বিভ্রান্তি থাকা উচিত নয়।
advertisement
৩. সিনিয়র সিটিজেনদের অতিরিক্ত ছাড় – মৌলিক ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করে এবং পেনশন এবং সুদের আয়ের জন্য আরও ভাল কর ব্যবস্থা প্রদান করে সিনিয়র সিটিজেনদের অতিরিক্ত ছাড় পাওয়া উচিত।
৪. করের বোঝা হ্রাস করা – এমন একটি বাজেট যা করদাতাদের উপর বোঝা কমায় এবং তাদের আর্থিক স্বস্তি প্রদান করে।
৫. নতুন আয় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ – বাজেটে এমন নীতিমালা প্রবর্তন করা উচিত যা আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরিতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন: কখন এবং কেন বাজেট পেশের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছিল? ইতিহাসের দিকে একবার ফিরে দেখা যাক
২০২৬ সালের বাজেট কবে প্রকাশিত হবে
২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এসেছে। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিপিএ) প্রস্তাব করেছে যে বাজেট ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে উপস্থাপন করা হোক। যদি এই প্রস্তাবটি পাস হয়, তাহলে এটি একটি বিরল ঘটনা হবে যখন সাধারণ বাজেট রবিবারে উপস্থাপন করা হবে। বিশেষ বিষয় হল, ২৬ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাধারণ বাজেট রবিবারে উপস্থাপন করা হতে পারে, যা এটিকে ঐতিহাসিক করে তুলতে পারে।
২০২৬ সালের বাজেট কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর জন্যও এক রেকর্ড গড়তে চলেছে বইকি! সীতারমন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের পেশ করা ১০টি কেন্দ্রীয় বাজেটের সর্বকালের রেকর্ডের আরও কাছাকাছি চলে আসবেন। ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এর অন্তর্বর্তী বাজেট সহ ইতিমধ্যেই টানা আটটি বাজেট পেশ করেছেন তিনি, এবার দেশের এমন এক অর্থমন্ত্রী হয়ে উঠবেন যিনি একজন প্রধানমন্ত্রীর অধীনে টানা নয়টি বাজেট পেশ করেছেন।
