তবে লকডাউনের পর যখনই ট্রেন পরিষেবা চালু হবে তখন বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে৷ যাত্রা করার সময় যদি কোনও ব্যক্তির মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে ভাল করে পরীক্ষা করে তাকে মাঝ রাস্তায় ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়া হবে ৷ তবে ওই যাত্রীকে টিকিটের টাকার ১০০ শতাংশ রিফান্ড করে দেওয়া হবে ৷ এমনই দাবি করা হয়েছে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে ৷
advertisement
বেশ কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে যাত্রা করার সময় যদি কোনও ব্যক্তির সর্দি, কাশি বা জ্বরের মতো করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে টিটিই বা রেলের স্টাফ মাঝরাস্তায় ট্রেন থামিয়ে তাকে নামিয়ে দিতে পারে ৷ ট্রেনের কামরা চারটি দরজায় বন্ধ রাখা হবে যাতে অন্য কেউ কামরায় উঠে না পড়তে পারে ৷
ট্রেন নন এসি হবে এবং নন স্টপ চলবে ৷ খুব বেশি হলে এক বা দুটি স্টপে দাঁড়াবে ৷ সাইড বার্থ খালি থাকবে এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সুবিধা হবে ৷ এছাড়া একটি কেবিনে কেবল ২ জন যাত্রা করবে ৷
স্টেশনে প্রবেশ করার সময় যাত্রীদের মাস্ক ও গ্লাভস দেওয়া হবে ৷ এর জন্য রেলের তরফে সামান্য চার্জ নেওয়া হবে যাত্রীদের থেকে
স্টেশন ও ট্রেনে মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে যাত্রীদের জন্য ৷ ট্রেন ছাড়ার ৪ ঘণ্টা আগে যাত্রীদের স্টেশনে আসতে হবে ৷ স্টেশনে যাত্রীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হবে ৷ যাদের টিকিট থাকবে কেবল তাদরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে স্টেশনে ৷ প্ল্যাটফর্ম টিকিট বিক্রি করা হবে না ৷
তবে রেলের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রোটোকল জারি করা হয়নি লকডাউনের পর যাত্রার বিষয়ে ৷ কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে রেলের তরফে সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে ৷
