প্যাসিভ ইনকাম বলতে বোঝায় এমন আয় যা প্রতিদিন নিয়মিত কাজ না করেও চালু থাকে — একবার বিনিয়োগ বা আয়োজন করে দিলে তার আয় নিয়মিত আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
আরও পড়ুনঃ সোনা-রূপোর ETF আকাশছোঁয়া! এখনই বিক্রি নাকি ধরে রাখাই লাভজনক?
advertisement
প্যাসিভ ইনকামের প্রধান ৫টি উৎস
১. সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম (SCSS)
সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত এই স্কিমে টাকা লগ্নি করলে প্রতি ত্রৈমাসিকে সুদ আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হয়, যা নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য ইনকাম উৎস।
২. পোস্ট অফিস মাসিক আয় প্রকল্প (MIS)
এটি বিশেষত তাদের জন্য উপযোগী যাঁরা প্রতিমাসে ধারাবাহিক আয় চান। নিয়মিত সুদ মাসে মাসে কেটে আপনার অ্যাকাউন্টে আসে।
৩. ফিক্সড ডিপোজিট (FD)
ব্যাংকে বা অন্যান্য আর্থিক সংস্থায় FD-তে টাকা রেখে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সুদ আয় করা যায় এবং এই সুদ নিয়মিত আপনার আয় হিসেবে নাপা যায়।
৪. SWP (সিস্টেমেটিক উইথড্রয়াল প্ল্যান)
মিউচুয়াল ফান্ড-এর SWP প্ল্যানে বিনিয়োগ করলে প্রতিমাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা উত্থাপন করে নিতে পারেন — এটি বাজারের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করে আয় নিশ্চিত করে।
৫. রেন্টাল ইনকাম
যদি আপনার নামে কোনও সম্পত্তি থাকে — বাড়ি, ফ্ল্যাট বা দোকান — তাহলে তা ভাড়া দিয়ে নিয়মিত মাসিক আয় সংগ্রহ করতে পারবেন।
কেন প্যাসিভ ইনকাম জরুরি?
অবসরের পর আয় বন্ধ হয়ে গেলে খরচ ও জীবনের মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। সঠিক পরিকল্পনা এবং প্যাসিভ ইনকাম-এর উৎস থাকলে —
খরচের চাপ কমে
আর্থিক নিরাপত্তা আসে
মনে শান্তি ও স্বাধীনতা আসে
এগুলোই বয়স্কদের জীবনে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
টাকা রিটায়ারমেন্টের আগে থেকেই পরিকল্পনা করুন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত দ্রুত সম্ভব অবসর-পরবর্তী আয় পরিকল্পনা শুরু করা উচিত — এখন থেকেই নিয়মিত বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে বড় লাভ পাওয়া যায়। যেমন গঠিত পেনশন বা SWP-এর মতো উপায় পরিকল্পনায় রেখে জীবন চলমান রাখা যায়।
