জানা গিয়েছে, বিগত দু’বছর ধরে এই মাটির শঙ্খ তৈরি করছেন বাসনা। এগুলি দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনই প্রায় আসল শঙ্খের মতোই আওয়াজ। মাটির শঙ্খও বাজে- ছোটবেলায় শোনা এই কথা মনে রেখে কাজ শুরু করেন তিনি। আজ এর মাধ্যমেই উপার্জন করছেন।
আরও পড়ুনঃ রং নম্বর থেকে ভালবাসা! বিয়ের দাবিতে সন্তান নিয়ে নাবালকের বাড়িতে বিবাহিত মহিলা, ছুটে এল পুলিশ
advertisement
রায়গঞ্জের এই গৃহবধূ জানান, প্রথমে নিজের হাতে মাটির শঙ্খের আকার তৈরি করেন। এরপর সেগুলি রোদে শুকোতে দেন। এরপর কাঠকয়লার আগুনে পুড়িয়ে এগুলিকে শক্ত করা হয়। সব শেষে রং করে বাজারে বিক্রির জন্য শঙ্খগুলিকে প্রস্তুত করেন তিনি।
বাসনা বলেন, “এই শঙ্খগুলি শুধুমাত্র মাটি দিয়ে তৈরি। এর ভিতরে আর কিছু নেই। এটি আসল শঙ্খের মতোই দেখতে আর সেইরকমই আওয়াজ। বহুদিন আগে শুনেছিলাম মাটির শঙ্খ বাজানো যায়। এরপর আমি এগুলি বানানোর চেষ্টা করি। এরপর দেখা যায়, সত্যিই এগুলি বাজানো যায়”।
রায়গঞ্জের গৃহবধূ আরও জানান, গত দু’বছর ধরে এই শঙ্খ বানাচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অনেকগুলি বিক্রি হয়েছে। মাটি দিয়ে পোড়ানোর ফলে এই শঙ্খ জল দিয়ে ধোয়াও যায় বলে জানিয়েছেন বাসনা। জল দিয়ে ধুলে আওয়াজ আরও বাড়ে বলে দাবি করেন তিনি।
