STT বৃদ্ধি খুচরো বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার জন্য, FIIs-এর জন্য নয়, এমনটাই মত অর্থমন্ত্রীর।লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই নির্মলা সীতারমণ স্পষ্ট করেন, ইক্যুইটি ফিউচার ও অপশনে STT বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্য অতিরিক্ত জল্পনা কমানো এবং ছোট বা খুচরো বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, ইক্যুইটি ফিউচারের ওপর STT ০.০২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ০.০৫ শতাংশ করা হয়েছে এবং অপশন প্রিমিয়ামের ওপর STT ০.১ শতাংশ থেকে ০.১৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন:সভেরেন গোল্ড বন্ডে বিনিয়োগ করলে নতুন করের হিসেব বুঝতে হবে, বাজেটে নিয়ম পরিবর্তিত হয়েছে
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের কথায়, শুধু F&O দিয়েই বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নির্ধারিত হয় না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ডেরিভেটিভ বা ফিউচার-অপশন (F&O) লেনদেন একা ভারতের প্রতি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বা মনোভাব নির্ধারণ করতে পারে না। তাঁর মতে, দীর্ঘমেয়াদি মূলধন প্রবাহ মূলত দেশের বৃদ্ধির সম্ভাবনা, নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর নির্ভর করে—স্বল্পমেয়াদি লেনদেন খরচের উপর নয়।
STT বাড়ানো নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নির্মলা সীতারমণ বলেন, ফিউচার ও অপশন (F&O) বিভাগে খুচরো বিনিয়োগকারীরা নিয়মিত ক্ষতির মুখে পড়লেও সরকার “নীরব দর্শক” হয়ে থাকতে পারে না। তিনি আরও জানান, এই কর সংক্রান্ত পদক্ষেপের উদ্দেশ্য বিদেশি তহবিলকে নিরুৎসাহিত করা নয়, বরং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
STT বৃদ্ধি হলে FII বেরিয়ে যাবে— এমন আশঙ্কা ঠিক নয়, বললেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর মতে, বাজেটে ইক্যুইটি ডেরিভেটিভের উপর সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (STT) বাড়ানোয় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা (FII) দেশ ছেড়ে চলে যাবে— এই আশঙ্কা অতিরঞ্জিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত কোনও একক কর পরিবর্তনের উপর নয়, বরং বৃহত্তর সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
