বর্তমানে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে রাবার চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন কালচিনি ব্লকের সাতালি নাকাডালার এই কৃষক।আর তার উৎপাদিত এই রাবার যাচ্ছে প্রতিবেশী রাজ্য অসমে। দু মাস পরপর উৎপাদিত রাবার তিনি পাঠান সেখানে। সাতালি নাকাডালার বাসিন্দা রণজিৎ টুডু প্রায় এক দশক আগে বিকল্প আয়ের খোঁজে পারি দিয়েছিলেন দক্ষিণ ভারতে। সেখানে এক রাবারের কারখানায় কাজ করতেন তিনি। রাবারের তৈরি টায়ার, টিউব সহ অন্যান্য সামগ্রী তৈরি করতেন।
advertisement
আরও পড়ুন: তিন দিনে ১৯১০০ টাকা কমল সোনার দর ! দেখে নিন ২৪, ২২ এবং ১৮ ক্যারাট সোনার দাম
এরপরই সেখানে জানতে পারেন রাবার চাষের সম্পর্কে।তারপরবাড়িতে ফিরে ২০১৩ সালে পরে থাকা প্রায় ২০ বিঘার কাছাকাছি জমিতে লাগিয়ে ফেলেন প্রায় এক হাজার দুশোটি রাবার কাজ।যদিও তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক গাছই ঝড়, বৃষ্টি সহ নানান কারণে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে দীর্ঘ অপেক্ষা ও পরিশ্রমের পর করোনা কালের পর থেকেই জমিতে রোপন করা গাছ গুলো থেকে রাবার মিলতে শুরু কড়েছেন। বর্তমানে রণজিতের জমিতে রয়েছে সাতশোটি রাবার গাছ। আর সেই গাছেই নানান ছিদ্র করে রাবার উৎপাদন করে চলেছেন রণজিৎ টুডু।
তার কথায়, “বর্ষা কাল বাদে বছরের প্রায় আট মাস এই গাছগুলো থেকে রাবার পাওয়া যায়। বিশেষে করে অন্যান্য মাসে ২০০ কেজি রাবার উৎপাদন হলেও, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে আবহাওয়া ভাল থাকায় সেটা দ্বিগুন প্রায় ৪০০ কেজি হয়ে যায়।”
গাছ থেকে পাওয়া তরল রস পাত্রে সংরক্ষিত করে একদিন রেখে দেন তিনি।কোনও সময় দুদিন রাখা হয়। এরপর রস ঘন হয়ে এলে সেটিকে আখের রসের মেশিনে দিয়ে একটি আকার দিয়ে রেখে দেওয়া হয়।এ বিষয়ে রণজিৎ টুডু জানান, দুমাস অন্তর অন্তর অসমের রাবার কারখানা থেকে লোক এসে এই রাবার নিয়ে যায়। ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় রাবার।ফলে অনেকটাই লাভজনক এই চাষ।
Annanya Dey





