Huge Drop in Gold Price: তিন দিনে ১৯১০০ টাকা কমল সোনার দর ! দেখে নিন ২৪, ২২ এবং ১৮ ক্যারাট সোনার দাম

Last Updated:
Huge Fall in Gold Price: ২৪, ২২ ও ১৮ ক্যারাট সোনার বর্তমান বাজার মূল্য কত চলছে, তা দেখে নিন এক ঝলকে। এখনই কি গয়না কেনার সেরা সময়?
1/9
সপ্তাহান্ত থেকেই ভারতে সোনার দর বেশ নিম্নমুখী। ৯ জুন ২০২৫ তারিখেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিগত তিন দিনে ১০০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম ১৯১০০ টাকা কমতে দেখা গেল। ২৪ ক্যারাট এবং ২২ ক্যারাটের ১০ গ্রাম সোনার দাম যথাক্রমে ৯৮০০০ এবং ৯০০০০ টাকার তলায় রয়েছে। ইতিমধ্যেই ৯৭১০০ টাকার সীমা ধরে রাখতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে এমসিএক্স গোল্ডকে। ১০ জুন হলুদ ধাতুর দর বেশ নড়বড়েই রয়েছে। গত ৯ জুন ২০২৫ তারিখ থেকে আগামী ১৩ জুনের গোটা সপ্তাহের জন্য এমসিএক্স গোল্ড এবং সিলভারের দাম যথাক্রমে ৯৭০০০-১০২০০০ টাকা এবং ১০২০০০-১১২০০০ টাকা থেকে ট্রেন্ড করবে বলে আশা।
সপ্তাহান্ত থেকেই ভারতে সোনার দর বেশ নিম্নমুখী। ৯ জুন ২০২৫ তারিখেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিগত তিন দিনে ১০০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম ১৯১০০ টাকা কমতে দেখা গেল। ২৪ ক্যারাট এবং ২২ ক্যারাটের ১০ গ্রাম সোনার দাম যথাক্রমে ৯৮০০০ এবং ৯০০০০ টাকার তলায় রয়েছে। ইতিমধ্যেই ৯৭১০০ টাকার সীমা ধরে রাখতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে এমসিএক্স গোল্ডকে। ১০ জুন হলুদ ধাতুর দর বেশ নড়বড়েই রয়েছে। গত ৯ জুন ২০২৫ তারিখ থেকে আগামী ১৩ জুনের গোটা সপ্তাহের জন্য এমসিএক্স গোল্ড এবং সিলভারের দাম যথাক্রমে ৯৭০০০-১০২০০০ টাকা এবং ১০২০০০-১১২০০০ টাকা থেকে ট্রেন্ড করবে বলে আশা।
advertisement
2/9
১০ জুনের জন্য গোল্ড প্রাইস আউটলুক:এলকেপি সিকিউরিটিজের কমোডিটি অ্যান্ড কারেন্সি ভিপি রিসার্চ অ্যানালিস্ট যতীন ত্রিবেদী বলেন যে, সামগ্রিক ভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত সোনার দর এমসিএক্স-এ ৯৮০০০ টাকা এবং কমেক্সে ৩৩৫০ ডলারের মূল প্রতিরোধ স্তরের নীচে ট্রেড করে, ততক্ষণ পর্যন্ত প্রাইস অ্যাকশন ভঙ্গুর থাকে। বাণিজ্য আলোচনার যে কোনও বিপত্তি অথবা নেতিবাচক ফলাফল নিরাপদ আশ্রয়স্থলের চাহিদা পুনর্নবীকরণ করতে পারে, যার ফলে দাম ৯৮০০০ টাকার দিকে ফিরে যেতে পারে।
১০ জুনের জন্য গোল্ড প্রাইস আউটলুক:এলকেপি সিকিউরিটিজের কমোডিটি অ্যান্ড কারেন্সি ভিপি রিসার্চ অ্যানালিস্ট যতীন ত্রিবেদী বলেন যে, সামগ্রিক ভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত সোনার দর এমসিএক্স-এ ৯৮০০০ টাকা এবং কমেক্সে ৩৩৫০ ডলারের মূল প্রতিরোধ স্তরের নীচে ট্রেড করে, ততক্ষণ পর্যন্ত প্রাইস অ্যাকশন ভঙ্গুর থাকে। বাণিজ্য আলোচনার যে কোনও বিপত্তি অথবা নেতিবাচক ফলাফল নিরাপদ আশ্রয়স্থলের চাহিদা পুনর্নবীকরণ করতে পারে, যার ফলে দাম ৯৮০০০ টাকার দিকে ফিরে যেতে পারে।
advertisement
3/9
এমসিএক্স সোনা, রুপোর দর:MCX সোনার দাম, যার মেয়াদ ২০২৫ সালের অগাস্টে শেষ হচ্ছে, ৯ জুন প্রতি ১০ গ্রামে ৯৭১৭০ টাকায় শেষ হয়েছিল, মোটামুটি ভাবে স্থির কিন্তু তা ছিল লাল কালিতে। অন্যদিকে MCX রুপার দর, যার মেয়াদ জুলাই ২০২৫-এ শেষ হয়েছিল, তা সামান্য বেড়ে প্রতি ১ কেজিতে ১০৭১০৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মাসের শুরু থেকেই রুপোর দাম সোনার দরকে ছাপিয়ে গিয়েছে। ৯ জুন প্রতি ১ কেজিতে ১০৭১৭১ টাকার এক নতুন সর্বকালের সর্বোচ্চ স্তর স্পর্শ করেছে রুপো। তারপর শেষের দিকে অবশ্য় কিছুটা সংশোধন হয়েছিল।
এমসিএক্স সোনা, রুপোর দর:MCX সোনার দাম, যার মেয়াদ ২০২৫ সালের অগাস্টে শেষ হচ্ছে, ৯ জুন প্রতি ১০ গ্রামে ৯৭১৭০ টাকায় শেষ হয়েছিল, মোটামুটি ভাবে স্থির কিন্তু তা ছিল লাল কালিতে। অন্যদিকে MCX রুপার দর, যার মেয়াদ জুলাই ২০২৫-এ শেষ হয়েছিল, তা সামান্য বেড়ে প্রতি ১ কেজিতে ১০৭১০৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মাসের শুরু থেকেই রুপোর দাম সোনার দরকে ছাপিয়ে গিয়েছে। ৯ জুন প্রতি ১ কেজিতে ১০৭১৭১ টাকার এক নতুন সর্বকালের সর্বোচ্চ স্তর স্পর্শ করেছে রুপো। তারপর শেষের দিকে অবশ্য় কিছুটা সংশোধন হয়েছিল।
advertisement
4/9
ভারতে সোনার দর:ভারতীয় রিটেল স্টোরে সোনার দামের ক্ষেত্রেও একই রকম প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। ৯ জুন ২০২৫ তারিখ অর্থাৎ সোমবার ১০০ গ্রাম এবং ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দর ২৮০০ টাকা এবং ২৮০ টাকা কমে পৌঁছে গিয়েছে ৯৭৬৯০০ টাকা এবং ৯৭৬৯০ টাকার স্তরে। এরপরে ১০০ গ্রাম এবং ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দর ২৫০০ টাকা এবং ২৫০ টাকা কমে ৮৯৫৫০০ টাকা এবং ৮৯৫৫০ টাকার কাছাকাছি চলে গিয়েছে। গত ৮ জুন সোনার দাম অপরিবর্তিত ছিল ঠিকই, কিন্তু গত ৭ জুন তীব্র পতন দেখা গিয়েছিল। সপ্তাহান্তে শনিবার ২৪ ক্যারাট ১০০ গ্রাম সোনার দাম ১৬৩০০ টাকা এবং ১০ গ্রাম সোনার দাম ১৬৩০ টাকা কমে গিয়েছিল। গত ৭ জুন থেকে গত ৯ জুন ১০০ গ্রাম এবং ১০ গ্রামের জন্য ২৪ ক্যারাট সোনার দাম যথাক্রমে ১৯,১০০ টাকা এবং ১,৯১০ টাকা কমেছে।
ভারতে সোনার দর:ভারতীয় রিটেল স্টোরে সোনার দামের ক্ষেত্রেও একই রকম প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। ৯ জুন ২০২৫ তারিখ অর্থাৎ সোমবার ১০০ গ্রাম এবং ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দর ২৮০০ টাকা এবং ২৮০ টাকা কমে পৌঁছে গিয়েছে ৯৭৬৯০০ টাকা এবং ৯৭৬৯০ টাকার স্তরে। এরপরে ১০০ গ্রাম এবং ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দর ২৫০০ টাকা এবং ২৫০ টাকা কমে ৮৯৫৫০০ টাকা এবং ৮৯৫৫০ টাকার কাছাকাছি চলে গিয়েছে। গত ৮ জুন সোনার দাম অপরিবর্তিত ছিল ঠিকই, কিন্তু গত ৭ জুন তীব্র পতন দেখা গিয়েছিল। সপ্তাহান্তে শনিবার ২৪ ক্যারাট ১০০ গ্রাম সোনার দাম ১৬৩০০ টাকা এবং ১০ গ্রাম সোনার দাম ১৬৩০ টাকা কমে গিয়েছিল। গত ৭ জুন থেকে গত ৯ জুন ১০০ গ্রাম এবং ১০ গ্রামের জন্য ২৪ ক্যারাট সোনার দাম যথাক্রমে ১৯,১০০ টাকা এবং ১,৯১০ টাকা কমেছে।
advertisement
5/9
ভারতে রুপোর দর:ভারতে রুপোর দর নয়া উচ্চতায় পৌঁছেছিল। ১ কেজি রুপোর দাম ১,০৮,১০০ টাকা। আর ১০ গ্রাম এবং ১০০ গ্রাম রুপোর দাম ছিল যথাক্রমে ১০৮১ টাকা এবং ১০৮১০ টাকা।
ভারতে রুপোর দর:ভারতে রুপোর দর নয়া উচ্চতায় পৌঁছেছিল। ১ কেজি রুপোর দাম ১,০৮,১০০ টাকা। আর ১০ গ্রাম এবং ১০০ গ্রাম রুপোর দাম ছিল যথাক্রমে ১০৮১ টাকা এবং ১০৮১০ টাকা।
advertisement
6/9
৯-১৩ জুনের জন্য সোনা আর রুপোর দামের সপ্তাহান্তের আউটলুক:গত সপ্তাহে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় বাজারেই সোনার দাম কমপক্ষে ২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে রুপোর দাম তুলনামূলক ভাবে বেশি ছিল, দুর্বল মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্যের কারণে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি এবং আসন্ন সেপ্টেম্বর ২০২৫ নীতিতে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ থেকে সুদের হার কমানোর আশা বৃদ্ধি পেয়েছে।
৯-১৩ জুনের জন্য সোনা আর রুপোর দামের সপ্তাহান্তের আউটলুক:গত সপ্তাহে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় বাজারেই সোনার দাম কমপক্ষে ২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে রুপোর দাম তুলনামূলক ভাবে বেশি ছিল, দুর্বল মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্যের কারণে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি এবং আসন্ন সেপ্টেম্বর ২০২৫ নীতিতে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ থেকে সুদের হার কমানোর আশা বৃদ্ধি পেয়েছে।
advertisement
7/9
নিজেদের সাপ্তাহিক রিপোর্টে SMC Global Securities এটাই তুলে ধরেছে যে, গ্লোবাল গোল্ড এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ETF), যার মধ্যে ভারতও অন্তর্ভুক্ত, এই ফান্ডের গত সপ্তাহের পারফরম্যান্সে মে মাসে ১.৮ বিলিয়ন ডলারের নেট আউটফ্লো রয়েছে। World Gold Council-এর মতে, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে এই প্রথমবার মাসিক আউটফ্লো দেখা গেল। ফলে শেষ হল ৫-মাসের ইনফ্লো স্ট্রিক। এর ফলস্বরূপ, সমগ্র গ্লোবাল গোল্ড ইটিএফ হোল্ডিং ১৯ টন পড়ে পৌঁছে গিয়েছে ৩৫৪১ টনে। আর অ্যাসেটস আন্ডার ম্যানেজমেন্ট ১ শতাংশ কমে ৩৭৪ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিজেদের সাপ্তাহিক রিপোর্টে SMC Global Securities এটাই তুলে ধরেছে যে, গ্লোবাল গোল্ড এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ETF), যার মধ্যে ভারতও অন্তর্ভুক্ত, এই ফান্ডের গত সপ্তাহের পারফরম্যান্সে মে মাসে ১.৮ বিলিয়ন ডলারের নেট আউটফ্লো রয়েছে। World Gold Council-এর মতে, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে এই প্রথমবার মাসিক আউটফ্লো দেখা গেল। ফলে শেষ হল ৫-মাসের ইনফ্লো স্ট্রিক। এর ফলস্বরূপ, সমগ্র গ্লোবাল গোল্ড ইটিএফ হোল্ডিং ১৯ টন পড়ে পৌঁছে গিয়েছে ৩৫৪১ টনে। আর অ্যাসেটস আন্ডার ম্যানেজমেন্ট ১ শতাংশ কমে ৩৭৪ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
advertisement
8/9
SMC-র ওই নোটে আরও ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, মার্কিন অর্থনৈতিক সূচকগুলি নিরাপদ আশ্রয়স্থলের চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। প্রাথমিক বেকারত্বের দাবি ২০২৪ সালের অক্টোবরের পর থেকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে, যেখানে প্রথম প্রান্তিকের উৎপাদনশীলতা কম সংশোধিত হয়েছে। আমদানি কমে যাওয়ার কারণে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে। এই অস্থিরতার সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পুনরায় আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছেন, তবুও এই সংক্রান্ত বিষয়ে তেমন বিস্তারিত কোনও তথ্য এখনও মেলেনি।
SMC-র ওই নোটে আরও ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, মার্কিন অর্থনৈতিক সূচকগুলি নিরাপদ আশ্রয়স্থলের চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। প্রাথমিক বেকারত্বের দাবি ২০২৪ সালের অক্টোবরের পর থেকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে, যেখানে প্রথম প্রান্তিকের উৎপাদনশীলতা কম সংশোধিত হয়েছে। আমদানি কমে যাওয়ার কারণে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে। এই অস্থিরতার সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পুনরায় আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছেন, তবুও এই সংক্রান্ত বিষয়ে তেমন বিস্তারিত কোনও তথ্য এখনও মেলেনি।
advertisement
9/9
তবে চলতি সপ্তাহের জন্য SMC-র নোটে আরও বলা হয়েছে যে, বাণিজ্য উত্তেজনা হ্রাসের আশাবাদ কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। একই সঙ্গে, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির উপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার মার্কিন সিদ্ধান্ত মূল অংশীদারদের সঙ্গে ট্রেড ফ্রিকশন সম্পর্কে আশঙ্কাও পুনরুজ্জীবিত করেছে।
তবে চলতি সপ্তাহের জন্য SMC-র নোটে আরও বলা হয়েছে যে, বাণিজ্য উত্তেজনা হ্রাসের আশাবাদ কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। একই সঙ্গে, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির উপর শুল্ক দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করার মার্কিন সিদ্ধান্ত মূল অংশীদারদের সঙ্গে ট্রেড ফ্রিকশন সম্পর্কে আশঙ্কাও পুনরুজ্জীবিত করেছে।
advertisement
advertisement
advertisement