সরকারি সূত্রের খবর, বর্তমানে দেশে গ্যাস বুকিং করার প্রায় ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই সিলিন্ডার ডেলিভারি পাওয়া যাচ্ছে। তাই শুধুমাত্র ভয়ের কারণে অতিরিক্ত বুকিং করলে বরং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অযথা চাপ বাড়তে পারে এবং কৃত্রিম ঘাটতির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ চন্দনেশ্বর মন্দিরে যাওয়ার পথে বিপত্তি! বেলদায় সড়ক দুর্ঘটনায় জখম অন্তত ৬ তীর্থযাত্রী
advertisement
সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়া বা গালফ অঞ্চলে সংঘাত বাড়ার ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে দোলাচল দেখা দিয়েছে। ভারত তার মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করে, ফলে অনেকের মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে সরকার জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশীয় এলপিজি উৎপাদন প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়াও জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে বিভিন্ন দেশ থেকে তেল আমদানি বাড়ানো, বিকল্প পরিবহন রুট ব্যবহার এবং রিফাইনারিগুলিতে উৎপাদন বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে এলপিজি বুকিংয়ের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে একটি সিলিন্ডার ডেলিভারির পর নতুন করে বুকিং করতে হলে কমপক্ষে ২৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে। আগে এই সময়সীমা ছিল ২১ দিন। এই নিয়ম চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে রাখা, কালোবাজারি এবং সরবরাহে কৃত্রিম সংকট তৈরি হওয়ার প্রবণতা রোধ করা। সরকারের দাবি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।
