আরও পড়ুন: কেন্দ্রের এই নতুন নিয়মে কেড়ে নেওয়া হতে পারে পারিবারিক পেনশনের সুবিধা! রইল বিস্তারিত!
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড খোলার নিয়ম
- একজন ব্যক্তি নিজের নামে একটাই পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।
- একজন ব্যক্তি নিজের পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট ছাড়াও, নিজের নাবালক সন্তানের নামে অন্য একটি পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।
advertisement
- যাদের দুই সন্তান, সেক্ষেত্রে একজন নাবালক সন্তানের জন্য তার মা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে এবং আরেক নাবালক সন্তানের জন্য তার বাবা পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে।
- মা-বাবা দু'জনেই একজন নাবালক সন্তানের নামে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না।
বিনিয়োগের পরিমাণ
- নাবালকদের জন্য পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে একটি আর্থিক বর্ষে কম করে ৫০০ টাকা এবং অধিকতম ১.৫ লাখ টাকা ডিপোজিট লিমিট রাখা হয়েছে।
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টের সুবিধা
- নাবালক পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে লোন এবং কিছু পরিমাণে টাকা তোলার সুবিধা পাওয়া যায়।
- নাবালক পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টের থেকে লোন এবং কিছু পরিমাণে টাকা তোলার জন্য অভিভাবকদের ঘোষণা করতে হবে যে সেই টাকা তাদের নাবালক সন্তানদের জন্যই তোলা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বিজনেস লোন নিতে চাইছেন? আগে জেনে নিন এই ৫ বিষয়!
সন্তানের বয়স ১৮ বছর হলে
- সন্তানের বয়স যখন ১৮ বছর হবে তখন তার পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট মাইনর থেকে মেজর করার জন্য আবেদন করতে হবে।
- সাবালক হয়ে গেলে সন্তান তার পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট নিজেই চালাতে পারবে।
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খোলার উপায়
- সবার প্রথমেই যে কোনও ব্যাঙ্ক অথবা পোস্ট অফিসের শাখায় যেতে হবে।
- সেখান থেকে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য একটি ফর্ম নিতে হবে।
- এর পর সেই আবেদনপত্র ফিল আপ করে জমা দিতে হবে।
- সেই আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে।
- সেই আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট একসঙ্গে জমা দিতে হবে।
- এর পর সেই ফর্ম এবং ডকুমেন্ট ভেরিফাই করার পর পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: আপনার শহরে কত টাকায় মিলছে ১ লিটার পেট্রোল ? দেখে নিন...
গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট
পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য অভিভাবকদের কেওয়াইসি (KYC), সন্তানের ফটো, সন্তানের বয়সের প্রমাণপত্র, আধার কার্ড, জন্মের প্রমাণপত্র ইত্যাদির প্রয়োজন হবে।
