কিন্তু, অবসরের পরে কত টাকার সঞ্চয় থাকলে ভাল ভাবে জীবন যাপন করা সম্ভব? অবসরের সময় একজন মানুষের কাছে কত টাকা থাকার সঞ্চয় থাকা প্রয়োজন? জানুন হিসেব কী বলছে।
অবসরকালীন করপাস হল সেই টাকা যা নিজেদের কাছে সেভিংস হিসাবে থাকবে, যা দিয়ে অবসরের পরেও নিশ্চিন্তে ভাল ভাবে জীবনযাপন করা সম্ভব হয়। আজ আমরা এই রিপোর্টে জানাতে যাচ্ছি যে, এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত কী এবং কীভাবে একজনের অবসরকালীন প্ল্যান করা প্রয়োজন।
advertisement
আরও পড়ুন: রিটায়ারমেন্টের পরও মাসে মাসে আয়! এই প্যাসিভ ইনকাম প্ল্যানগুলো জানলে চিন্তা শেষ
স্বাস্থ্য খাতে খরচ – এটি হল অবসরের পরে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। কারণ অবসরের পরে এই খাতেই সবথেকে বেশি টাকার প্রয়োজন হয়। তাই অবসরের প্ল্যান করার সময়ে এই খাতের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
রিটায়ারমেন্ট প্ল্যানিং ক্যালকুলেটর – এর জন্য ২৫× এবং ৪% এর মতো কয়েকটি জনপ্রিয় হিসেব রয়েছে। এই হিসেব অনুযায়ী বোঝা যেতে পারে যে, অবসরের সময় কত টাকার সঞ্চয় থাকা প্রয়োজন।
২৫× নিয়ম – এই নিয়ম অনুযায়ী অবসরের সময় একজন ব্যক্তির কাছে তার বার্ষিক খরচের প্রায় ২৫ গুন সঞ্চয় থাকা উচিত। অর্থাৎ কারও যদি বার্ষিক খরচ ২৫ লাখ টাকা হয়, তাহলে তাকে অবসরের সময় ২.৫ কোটি টাকার ফান্ড গড়ে তুলতে হবে।৪% নিয়ম – এই নিয়ম অনুযায়ী নিজেদের অবসরকালীন ফান্ডের থেকে বার্ষিক ৪% হারে বের করা যেতে পারে।
ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট – অবসরকালীন সঞ্চয়ের জন্য এটি সবথেকে সেরা বিনিয়োগের বিকল্প। কারণ এতে মোটা টাকা রিটার্ন পাওয়া যেতে পারে।
আরও পড়ুন: ৭.৭% সুদ, মাত্র ১০০০ টাকা দিয়ে শুরু, সুপারহিট পোস্ট অফিসের এই বিশেষ স্কিম
অবসরের লক্ষ্য – অবসরকালীন ফান্ড গড়ে তোলার জন্য নিজেদের অবসরের লক্ষ্য সবার আগে নির্ধারণ করা উচিত। অর্থাৎ কত বছরে অবসর নেওয়া হবে তা আগে নির্ধারণ করে নিতে পারলে, নিজের লক্ষ্যের দিকে খুব সহজেই এগিয়ে যাওয়া যায়।
২৫× এবং ৪% এর মতো নিয়ম অনুসরণ করে এবং নিজেদের লক্ষ্য অনুযায়ী অনেক আগে থেকেই অবসরের প্ল্যানিং শুরু করলে, অবসরকালীন ফান্ড গড়ে তুলতে কোনও সমস্যা হয় না।
