পুরো প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি করা খুব ক্লান্তিকর কাজ হতে পারে। তাই সবসময় পলিসি রিনিউ করার কথা মনে রাখা উচিত। এ ছাড়াও, একটি স্বাস্থ্য বিমা পুনর্নবীকরণের সময় কিছু জিনিস পুনরায় পর্যালোচনা করে দেখা উচিত। সংবাদমাধ্যম মানি কন্ট্রোল-এ প্রকাশিত ওআরজি-র সিইওর প্রতিবেদনে এমনই পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন- রাশিফল ২৩ মে; দেখে নিন কেমন যাবে আজকের দিন
advertisement
পলিসি কভারেজ
এক বছর আগে স্বাস্থ্য পরিষেবার যে খরচ ছিল, এই বছরও সেই দামই থাকবে এমন কোনও কথা নেই। চিকিৎসা দিন দিন ব্যয়বহুল হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেখতে হবে পলিসির কভারেজ বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কি না। যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে অবিলম্বে কভারেজ আপডেট করতে হবে। সময়ে সময়ে পলিসির কভারেজ বৃদ্ধি করলে কঠিন সময়ে আর্থিকভাবে অনেকাংশে প্রস্তুত থাকা যায়।
নতুন অ্যাড-অন
পলিসি রিনিউ করার সময় এটির সঙ্গে আসা অ্যাড-অনগুলিও পর্যালোচনা করা উচিত। যদি বর্তমান পলিসির সঙ্গে প্রদত্ত অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্যগুলিতে কোনও পরিবর্তন হয়, কিন্তু সেই সুবিধা যদি না পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে একজন উপদেষ্টার সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।
আরও পড়ুন-রাতে দুধের সঙ্গে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেলেই কেল্লা ফতে! বাড়বে যৌন ক্ষমতা
পলিসি পোর্ট
যদি কোনও গ্রাহকের মনে হয় যে বিদ্যমান বিমা সংস্থা ভালো পরিষেবা প্রদান করছে না বা গ্রাহকের অন্য কোনও কোম্পানির পলিসি পছন্দ হচ্ছে যা বিদ্যমান পলিসির চেয়ে ভাল, সেক্ষেত্রে গ্রাহক রিনিউ করার সময় পলিসিটি পোর্ট করিয়ে নিতে পারেন। বিদ্যমান পলিসি অন্য বিমাকারীর কাছে স্থানান্তর করলে সমস্ত সুবিধাগুলিও নতুন বিমায় স্থানান্তরিত হয়ে যাবে। তবে বিমা সংস্থা পরিবর্তন করার আগে বর্তমান বিমাকারীকে ৪৫ দিন আগে জানাতে হবে।
পলিসির শর্তাবলী পরিবর্তন
সাধারণত কোনও পরিবর্তন করার ৯০ দিন আগে প্রতিটি বিমাকারীকে জানাতে হয়। কিন্তু তারপরও রিনিউ করার সময় পলিসিতে কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি না সেদিকে নজর রাখা উচিত। যদি বিমাকারী কিছু পরিবর্তন করে থাকে যা গ্রাহকের পছন্দ নয়, সেক্ষেত্রে গ্রাহক পলিসি পোর্ট করতে পারেন।
সদস্যদের যোগ করা বা বাদ দেওয়া
স্বাস্থ্য বিমার পুনর্নবীকরণের সময়ে চাইলে পরিবারের কাউকে তার অন্তর্ভুক্ত করা যায়। আবার, কারও মৃত্যু হলে তাঁকে তখন বিমার আওতা থেকে বাদ দিতে হবে। এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে প্রিমিয়ামের খরচের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে যায়।
