সীতারমণ জানান রাহুল গান্ধি যে পদ অলঙ্কৃত করেন, সেই পদের মর্যাদা করেন তিনি৷ কিন্তু, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাঁর সমালোচনার পিছনে কোনও তথ্যের ভিত্তি থাকে না৷ নির্মলা বলেন, ‘‘উনি (রাহুল গান্ধি) লোকসভার বিরোধী দলনেতা৷ আমি ওঁর কথা গুরুত্ব সহকারেই বিবেচনা করতে চাই যাতে আরও ভাল করে কাজ করা যায়৷ কিন্তু, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে উনি তথ্য পরিসংখ্যান না জেনেই মন্তব্য করে দেন৷’’
advertisement
নির্মলার কথায়, নীতিগত সমালোচনা অবশ্যই তথ্যের উপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। তাঁর মতে, গণতন্ত্রের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে বিরোধীদের ভূমিকা অপরিহার্য৷ তবে তা ‘ভাল ভিত্তিগত তথ্য’ দ্বারা সমর্থিত হওয়া উচিত, যাতে সরকার অর্থপূর্ণভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
সম্প্রতি ভারতের অর্থনীতিকে একটি ‘ডেড ইকনমি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ সেই মন্তব্যের ‘সমর্থনে’ কথা বলে দেখা গিয়েছিল রাহুল গান্ধিকে৷ এদিন সেই কথা মনে করিয়ে নির্মলা সীতারমণ বলেন,‘‘এর মাধ্যমে উনি নিজেই বিরোধী দলনেতার পদের অবমাননা করেছেন৷ ভারতীয় হয়ে, সংসদে দাড়িয়ে, বিরোধী দলনেতা হয়ে…আপনি কি বলতে চাইছেন আপনি একটি মৃত অর্থনীতির মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছেন?’’
আরও পড়ুন– STT বৃদ্ধি FII পুঁজিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না,মত অর্থমন্ত্রীর
নির্মলা সীতারমণের দাবি, বিরোধীদের উচিত সরকারের সামনে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ সহকারে কথা বলা৷ তার মতে, ‘‘মাঝে মাঝে আপনি কোনও ভিত্তি ছাড়াই কথা বলেন, আমি কী নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাব? ভারতে আরও ভাল কোনও বিরোধী দল থাকা উচিত৷’’
এর আগে রবিবারও, অর্থমন্ত্রী সীতারমণ সরাসরি বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিয়েছিলেন৷ বিশেষ করে কংগ্রেস নেতাদের৷ যাঁদের অভিযোগ ছিল এই বাজেট ভারতের প্রকৃত সমস্যা যেমন বেকারত্ব, কৃষক দুর্দশা এবং ধীরগতির উৎপাদনের মতো বাস্তব বিষয় থেকে অনেক দূরে৷ রাহুল গান্ধি এই বাজেটকে ‘বাজেট যা সঠিক পথ সংশোধন করতে চায় না এবং আসল সমস্যাগুলির প্রতি অন্ধ’ বলে অভিহিত করেছিলেন৷ যুক্তি দিয়েছিলেন যে এই বাজেট মূল অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে এবং বাস্তব পদক্ষেপের চেয়ে বেশি কথার আড়ম্বর ছিল এই বাজেটে।
