মকর সংক্রান্তিতে আশ্চর্যজনক মিলন
এমন বিরল ঘটনা খুব কমই ঘটে, যখন কেউ একই সঙ্গে সূর্যদেব এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ পেতে পারেন। তাছাড়া, এই তিথিতে শুভ ঋতুও শুরু হবে, যে সময়ে পূজা, পাঠ এবং দান করা সর্বোত্তম। ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে পড়েছে ষটতিল একাদশী এবং এই দিনেই সূর্য মকর রাশিতে গমন করবেন। এই সংযোগে পবিত্র নদীতে দান এবং স্নান অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে বিবেচিত হয়। জ্যোতিষ বিশ্লেষক রুচি কাপুরের মতে, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে মকর সংক্রান্তি এবং একাদশী একসঙ্গে পড়া একটি শুভ লক্ষণ।
advertisement
মকর সংক্রান্তি উদযাপন করবেন? তার আগে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ এই বিষয় জেনে নিন
খিচুড়ি দান শাস্ত্র অনুসারে কখন করণীয়
জ্যোতিষী রাহুল আগরওয়ালের মতে, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে সর্বার্থসিদ্ধি যোগ এবং অমৃত সিদ্ধি যোগ তৈরি হচ্ছে। সূর্য বিকেল ৩:০৬ মিনিটে মকর রাশিতে প্রবেশ করবেন এবং একাদশী তিথি বিকেল ৫:৫৩ মিনিটে শেষ হবে। সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করার পরেই দান করা সর্বোত্তম। জ্যোতিষী ভারত জ্ঞান ভূষণের মতে, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করার পরেই দান করা সর্বোত্তম। যাঁরা সন্ধ্যায় দান করতে অক্ষম, তাঁরা ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে সূর্যোদয়ের সময় খিচুড়ি দান করতে পারবেন।
- বিকেল ৩:০৭ থেকে পুণ্য মুহূর্ত শুরু
- জ্যোতিষী ইন্দুসুতার মতে, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে মকর সংক্রান্তির সকাল থেকে দান ও পূজা করা যাবে।
- বিশেষ পুণ্যকাল বিকেল ৩:০৭ থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫:৪১ পর্যন্ত সূর্যাস্ত পর্যন্ত চলবে।
- মকর সংক্রান্তির উপবাস ও পূজা ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে করাই সর্বোত্তম।
জ্যোতিষী অমিত গুপ্তার মতে, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করবেন এবং একাদশীও এই দিনে পড়েছে। অতএব, দিনের বেলায় ভাত ও খিচুড়ি এড়িয়ে চলতে হবে। ১৪ জানুয়ারিই মকর সংক্রান্তির উপবাস ও পূজা সর্বোত্তম। তিল, গুড়, ঘি এবং কম্বল দান বিশেষভাবে ফলপ্রসূ হবে।
জ্যোতিষী অমিত শাণ্ডিল্যের মতে, শাস্ত্র অনুসারে, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখেই মকর সংক্রান্তি উদযাপন সর্বোত্তম। ভক্তরা তাঁদের সুবিধামতো ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে সকালে খিচুড়ি দান করতে পারেন। তিল, গুড়, ঘি এবং কম্বল দান করাও পুণ্য এনে দেবে।
(Disclaimer: প্রতিবেদনের লেখা তথ্য News18 বাংলার নিজস্ব মত নয় ৷ সঠিক ফল পাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন ৷)
