advertisement

Tourist Spot: ফুলের রঙে রঙীন নদীর পাড়, ঝুলন্ত সিঁড়ি...! শহর ছেড়ে নিরিবিলিতে যেতে চান? মন ভাল করবে এক টুকরো ‘হংকং’, কোথায় আছে জানেন?

Last Updated:
উদ্যানজুড়ে চোখে পড়বে নানা প্রজাতির রংবেরঙের ফুল। কসমস, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া-সহ একাধিক ফুল ও ফলের গাছে সাজানো এই পার্ক যেন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য স্বর্গরাজ্য। বাতাসে ফুলের গন্ধ আর চারপাশের নৈঃশব্দ্য এক অন্যরকম প্রশান্তি এনে দেয়।
1/6
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট শহরের অদূরে বিদ্যাধরী নদীর তীরে গড়ে উঠেছে এক মনোরম ফুলের সাম্রাজ্য। চারপাশের সবুজ পরিবেশ আর রঙিন ফুলের সমারোহে এই উদ্যান যেন এক টুকরো স্বপ্নের উপত্যকা। শহরের কোলাহল ছেড়ে এখানে পা রাখলেই মন ভরে যায় প্রকৃতির সৌন্দর্যে।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট শহরের অদূরে বিদ্যাধরী নদীর তীরে গড়ে উঠেছে এক মনোরম ফুলের সাম্রাজ্য। চারপাশের সবুজ পরিবেশ আর রঙিন ফুলের সমারোহে এই উদ্যান যেন এক টুকরো স্বপ্নের উপত্যকা। শহরের কোলাহল ছেড়ে এখানে পা রাখলেই মন ভরে যায় প্রকৃতির সৌন্দর্যে।
advertisement
2/6
উদ্যানজুড়ে চোখে পড়বে নানা প্রজাতির রংবেরঙের ফুল। কসমস, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া-সহ একাধিক ফুল ও ফলের গাছে সাজানো এই পার্ক যেন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য স্বর্গরাজ্য। বাতাসে ফুলের গন্ধ আর চারপাশের নৈঃশব্দ্য এক অন্যরকম প্রশান্তি এনে দেয়।
উদ্যানজুড়ে চোখে পড়বে নানা প্রজাতির রংবেরঙের ফুল। কসমস, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া-সহ একাধিক ফুল ও ফলের গাছে সাজানো এই পার্ক যেন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য স্বর্গরাজ্য। বাতাসে ফুলের গন্ধ আর চারপাশের নৈঃশব্দ্য এক অন্যরকম প্রশান্তি এনে দেয়।
advertisement
3/6
গ্রাম্য পরিবেশে তৈরি এই উদ্যানটি এলাকার মানুষের কাছেও বেশ জনপ্রিয়। প্রতিদিনই বহু মানুষ এখানে আসেন অবসর সময় কাটাতে। নির্জন ও শান্ত পরিবেশে পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য এই স্থান আদর্শ।
গ্রাম্য পরিবেশে তৈরি এই উদ্যানটি এলাকার মানুষের কাছেও বেশ জনপ্রিয়। প্রতিদিনই বহু মানুষ এখানে আসেন অবসর সময় কাটাতে। নির্জন ও শান্ত পরিবেশে পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য এই স্থান আদর্শ।
advertisement
4/6
উদ্যানের একদিকে রয়েছে বড় একটি জলাশয়, অন্যদিকে সারি সারি ফুল ও ফলের গাছ। এই পার্কের বিশেষ আকর্ষণ হলো গাছের উপর তৈরি ঝুলন্ত সিঁড়ি ও বসার জায়গা। কাঠ দিয়ে তৈরি এই সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলে গাছের ডালপালার ফাঁক দিয়ে চারপাশের দৃশ্য দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই অনন্য।
উদ্যানের একদিকে রয়েছে বড় একটি জলাশয়, অন্যদিকে সারি সারি ফুল ও ফলের গাছ। এই পার্কের বিশেষ আকর্ষণ হলো গাছের উপর তৈরি ঝুলন্ত সিঁড়ি ও বসার জায়গা। কাঠ দিয়ে তৈরি এই সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলে গাছের ডালপালার ফাঁক দিয়ে চারপাশের দৃশ্য দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই অনন্য।
advertisement
5/6
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেকেই শহরের কাছাকাছি একটু শান্ত, নিরিবিলি জায়গা খুঁজে থাকেন। কম বাজেটে দিনের মধ্যেই কোথাও ঘুরে আসতে চাইলে বসিরহাটের এই হংকং পার্ক হতে পারে দারুণ বিকল্প। প্রকৃতি আর নীরবতার মেলবন্ধন এখানে সহজেই মন কেড়ে নেয়।
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেকেই শহরের কাছাকাছি একটু শান্ত, নিরিবিলি জায়গা খুঁজে থাকেন। কম বাজেটে দিনের মধ্যেই কোথাও ঘুরে আসতে চাইলে বসিরহাটের এই হংকং পার্ক হতে পারে দারুণ বিকল্প। প্রকৃতি আর নীরবতার মেলবন্ধন এখানে সহজেই মন কেড়ে নেয়।
advertisement
6/6
যাতায়াতের দিক থেকেও জায়গাটি বেশ সুবিধাজনক। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাসনাবাদ লোকাল ট্রেনে প্রায় দেড় ঘণ্টায় পৌঁছানো যায় চাঁপাপুকুর স্টেশনে। সেখান থেকে অটো বা টোটোতে মাত্র ২০ মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই উদ্যানে। পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে পিকনিকের জন্যও এটি একেবারে উপযুক্ত স্থান।
যাতায়াতের দিক থেকেও জায়গাটি বেশ সুবিধাজনক। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাসনাবাদ লোকাল ট্রেনে প্রায় দেড় ঘণ্টায় পৌঁছানো যায় চাঁপাপুকুর স্টেশনে। সেখান থেকে অটো বা টোটোতে মাত্র ২০ মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই উদ্যানে। পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে পিকনিকের জন্যও এটি একেবারে উপযুক্ত স্থান।
advertisement
advertisement
advertisement