advertisement

Sonajhuri Vibe in Basirhat: বন্ধ সোনাঝুরি হাট, তবে মন জয় করল বসিরহাট! রঙের উৎসবে পর্যটকদের জন্য নতুন ঠিকানা, আমেজ সেই পুরনো

Last Updated:
Sonajhuri Vibe in Basirhat: বসিরহাটের মাটিতেই মিলছে বোলপুরের ছোঁয়া। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাটের আদলে গড়ে ওঠা এই বসিরহাটের হাটে এখন উপচে পড়া ভিড়। দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা আসছেন এখানে।
1/6
শহরের ব্যস্ততার মাঝেই যেন হঠাৎ মিলল এক টুকরো শান্তির ঠিকানা। বসিরহাটের এক বাগানবাড়িতে পা রাখতেই মনে হচ্ছিল, যেন পৌঁছে গেছি শান্তিনিকেতন-এর বসন্ত উৎসবে। রঙিন আবিরের উড়ান, গানের সুর আর হাতের তৈরি শিল্পসামগ্রীর সমাহারে বসিরহাট লেডিস ক্লাবের বসন্ত উৎসব কার্যত এক টুকরো সোনাঝুরির হাট হয়ে উঠেছিল।
শহরের ব্যস্ততার মাঝেই যেন হঠাৎ মিলল এক টুকরো শান্তির ঠিকানা। বসিরহাটের এক বাগানবাড়িতে পা রাখতেই মনে হচ্ছিল, যেন পৌঁছে গেছি শান্তিনিকেতন-এর বসন্ত উৎসবে। রঙিন আবিরের উড়ান, গানের সুর আর হাতের তৈরি শিল্পসামগ্রীর সমাহারে বসিরহাট লেডিস ক্লাবের বসন্ত উৎসব কার্যত এক টুকরো সোনাঝুরির হাট হয়ে উঠেছিল।
advertisement
2/6
উৎসব প্রাঙ্গণে ঢুকতেই তৈরি হয়েছিল এক অনন্য পরিবেশ। শহরের কোলাহল ভুলিয়ে মুহূর্তে দর্শনার্থীদের নিয়ে যাচ্ছিল গ্রামীণ শান্তি আর শিল্পচর্চার আবহে। চারদিকে রঙের ছটা, সাজানো স্টল আর মানুষের উচ্ছ্বাস মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত আয়োজন চোখে পড়েছে। বিকেল গড়াতেই ভিড় বাড়তে থাকে, পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে অনেকেই যোগ দেন এই উৎসবে।
উৎসব প্রাঙ্গণে ঢুকতেই তৈরি হয়েছিল এক অনন্য পরিবেশ। শহরের কোলাহল ভুলিয়ে মুহূর্তে দর্শনার্থীদের নিয়ে যাচ্ছিল গ্রামীণ শান্তি আর শিল্পচর্চার আবহে। চারদিকে রঙের ছটা, সাজানো স্টল আর মানুষের উচ্ছ্বাস মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত আয়োজন চোখে পড়েছে। বিকেল গড়াতেই ভিড় বাড়তে থাকে, পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে অনেকেই যোগ দেন এই উৎসবে।
advertisement
3/6
মেলায় ছিল নানা ধরনের কুটির শিল্পের স্টল। কোথাও হাতে তৈরি চকোলেট, কোথাও মাটি ও পাটের অলঙ্কার, আবার কোথাও বাটিক প্রিন্টের পোশাক। প্রতিটি স্টলেই ফুটে উঠেছে মহিলাদের সৃজনশীলতার ছাপ। শুধু কেনাবেচাই নয়, শিল্পসামগ্রী ঘিরে দর্শনার্থীদের কৌতূহল ও আলোচনা ছিল চোখে পড়ার মতো। আত্মনির্ভরতার বাস্তব চিত্র যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল প্রতিটি আয়োজনে।
মেলায় ছিল নানা ধরনের কুটির শিল্পের স্টল। কোথাও হাতে তৈরি চকোলেট, কোথাও মাটি ও পাটের অলঙ্কার, আবার কোথাও বাটিক প্রিন্টের পোশাক। প্রতিটি স্টলেই ফুটে উঠেছে মহিলাদের সৃজনশীলতার ছাপ। শুধু কেনাবেচাই নয়, শিল্পসামগ্রী ঘিরে দর্শনার্থীদের কৌতূহল ও আলোচনা ছিল চোখে পড়ার মতো। আত্মনির্ভরতার বাস্তব চিত্র যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল প্রতিটি আয়োজনে।
advertisement
4/6
শিল্পের পাশাপাশি উৎসবের প্রাণ হয়ে ওঠে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আবির খেলায় মেতে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা, চলতে থাকে আবৃত্তি, গান ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। রঙ, সুর আর কবিতার মেলবন্ধনে প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আনন্দমুখর। বসন্তের আবহে এই আয়োজন এক অন্য মাত্রা যোগ করে।
শিল্পের পাশাপাশি উৎসবের প্রাণ হয়ে ওঠে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আবির খেলায় মেতে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা, চলতে থাকে আবৃত্তি, গান ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। রঙ, সুর আর কবিতার মেলবন্ধনে প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আনন্দমুখর। বসন্তের আবহে এই আয়োজন এক অন্য মাত্রা যোগ করে।
advertisement
5/6
এই বসন্ত উৎসবের উদ্যোক্তা বসিরহাট লেডিস ক্লাব। সংগঠনের তরফে অমৃতা পাঠক জানান, গত আট বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এমন আয়োজন করে আসছেন তারা। তার কথায়, “আমাদের মূল লক্ষ্য মহিলাদের স্বাবলম্বী করা। তাদের তৈরি সামগ্রী যাতে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছতে পারে, সেই জন্যই এই স্টলের ব্যবস্থা। এতে শিল্পীরা যেমন উৎসাহ পান, তেমনই আয় করার সুযোগও তৈরি হয়।” ভবিষ্যতেও এই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
এই বসন্ত উৎসবের উদ্যোক্তা বসিরহাট লেডিস ক্লাব। সংগঠনের তরফে অমৃতা পাঠক জানান, গত আট বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এমন আয়োজন করে আসছেন তারা। তার কথায়, “আমাদের মূল লক্ষ্য মহিলাদের স্বাবলম্বী করা। তাদের তৈরি সামগ্রী যাতে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছতে পারে, সেই জন্যই এই স্টলের ব্যবস্থা। এতে শিল্পীরা যেমন উৎসাহ পান, তেমনই আয় করার সুযোগও তৈরি হয়।” ভবিষ্যতেও এই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
advertisement
6/6
উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাট পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান তথা ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অদিতি মিত্র রায়চৌধুরী। তিনি বলেন, “সবার পক্ষে শান্তিনিকেতনে যাওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু এখানে এলে অনেকটাই সেই অনুভূতি পাওয়া যায়। রবীন্দ্রসঙ্গীত ও শিল্পের এই আয়োজন সত্যিই সোনাঝুরির হাটের কথা মনে করিয়ে দেয়।”
উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাট পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান তথা ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অদিতি মিত্র রায়চৌধুরী। তিনি বলেন, “সবার পক্ষে শান্তিনিকেতনে যাওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু এখানে এলে অনেকটাই সেই অনুভূতি পাওয়া যায়। রবীন্দ্রসঙ্গীত ও শিল্পের এই আয়োজন সত্যিই সোনাঝুরির হাটের কথা মনে করিয়ে দেয়।”
advertisement
advertisement
advertisement