SIR Case in Supreme Court: SIR মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! প্রকাশ করতে হবে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা! মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

Last Updated:
SIR Case in Supreme Court: কপিল সিব্বল আরও বলেন, ''নামের বানানে ভুল থাকলেই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নোটিস পাঠানো হচ্ছে।'' নির্বাচন কমিশন তরফে পাল্টা বলা হয়, নামের বানানে ভুল থাকলে কাউকেই নোটিস পাঠানো হচ্ছে না।
1/8
বাংলার এসআইআর মামলায় একের পর এক বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের। সোমবার মামলার শুনানিতে আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতের কাছে আবেদনে জানান, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করুক নির্বাচন কমিশন। বিহারে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি বলে কিছু ছিল না।
বাংলার এসআইআর মামলায় একের পর এক বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের। সোমবার মামলার শুনানিতে আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতের কাছে আবেদনে জানান, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করুক নির্বাচন কমিশন। বিহারে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি বলে কিছু ছিল না।
advertisement
2/8
কপিল সিব্বল আরও বলেন, ''নামের বানানে ভুল থাকলেই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নোটিস পাঠানো হচ্ছে।'' নির্বাচন কমিশন তরফে পাল্টা বলা হয়, নামের বানানে ভুল থাকলে কাউকেই নোটিস পাঠানো হচ্ছে না। শুধুমাত্র বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ১৪-১৬ বছরের কম হলেই যাচাইয়ের জন্য নোটিস পাঠানো হচ্ছে।
কপিল সিব্বল আরও বলেন, ''নামের বানানে ভুল থাকলেই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নোটিস পাঠানো হচ্ছে।'' নির্বাচন কমিশন তরফে পাল্টা বলা হয়, নামের বানানে ভুল থাকলে কাউকেই নোটিস পাঠানো হচ্ছে না। শুধুমাত্র বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ১৪-১৬ বছরের কম হলেই যাচাইয়ের জন্য নোটিস পাঠানো হচ্ছে।
advertisement
3/8
এরপরই আদালত পাল্টা কমিশনের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করে, ভারতের মতো দেশে কীভাবে এই যুক্তি দিচ্ছেন? মনে রাখতে হবে, এখানে বাল্যবিবাহ ছিল। কিছু জায়গায় এখনও আছেও। কপিল সিবাল এরপর বলেন, হিয়ারিংয়ের শিডিউল দেওয়া হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা দেওয়া হোক। এরপরই অপর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তিন হাজারের বেশি সই করা ফর্ম ধরা পড়েছে গাড়িতে। যেই এফআইআর করা হল, তখন নয়া নির্দেশ এসে গেল।
এরপরই আদালত পাল্টা কমিশনের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করে, ভারতের মতো দেশে কীভাবে এই যুক্তি দিচ্ছেন? মনে রাখতে হবে, এখানে বাল্যবিবাহ ছিল। কিছু জায়গায় এখনও আছেও। কপিল সিবাল এরপর বলেন, হিয়ারিংয়ের শিডিউল দেওয়া হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা দেওয়া হোক। এরপরই অপর আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তিন হাজারের বেশি সই করা ফর্ম ধরা পড়েছে গাড়িতে। যেই এফআইআর করা হল, তখন নয়া নির্দেশ এসে গেল।
advertisement
4/8
আর গোটা সওয়াল জবাব শুনে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, লজিক‍্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হোক। গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ব্লক অফিস এবং শহরের ক্ষেত্রে ব্লক অফিসে তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
আর গোটা সওয়াল জবাব শুনে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, লজিক‍্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হোক। গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ব্লক অফিস এবং শহরের ক্ষেত্রে ব্লক অফিসে তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
advertisement
5/8
শুধু তাই নয়, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, যাঁরা এফেক্টেড হচ্ছেন, তাঁরা নিজেদের অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটভ দিতে পারেন। সেই রিপ্রেজেন্টেটিভ বিএলএ হতে পারে। সেই ব‍্যক্তিকে অথরাইজেশন লেটার নিয়ে আসতে হবে। সই করা বা হাতের ছাপ দেওয়া। অবজেকশনের ক্ষেত্রে নথি পঞ্চায়েত ভবন/ব্লক অফিসে জমা দেওয়া যাবে।
শুধু তাই নয়, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, যাঁরা এফেক্টেড হচ্ছেন, তাঁরা নিজেদের অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটভ দিতে পারেন। সেই রিপ্রেজেন্টেটিভ বিএলএ হতে পারে। সেই ব‍্যক্তিকে অথরাইজেশন লেটার নিয়ে আসতে হবে। সই করা বা হাতের ছাপ দেওয়া। অবজেকশনের ক্ষেত্রে নথি পঞ্চায়েত ভবন/ব্লক অফিসে জমা দেওয়া যাবে।
advertisement
6/8
রাজ্যের উদ্দেশ্যে আদালতের নির্দেশ, রাজ‍্য সরকার হিয়ারিংয়ের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখবে। যথা সম্ভব কর্মী দিতে হবে রাজ‍্য সরকারকে। যাতে নথি জমা দিতে ভোটারদের কোনও সমস‍্যা না হয় না। ডিজিপির দায়িত্ব এটা নিশ্চিত করা যে কোনও আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়। অবজেকশন জমা দেওয়ার সময় দেওয়া হল, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশের ১০ দিন পর্যন্ত।
রাজ্যের উদ্দেশ্যে আদালতের নির্দেশ, রাজ‍্য সরকার হিয়ারিংয়ের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখবে। যথা সম্ভব কর্মী দিতে হবে রাজ‍্য সরকারকে। যাতে নথি জমা দিতে ভোটারদের কোনও সমস‍্যা না হয় না। ডিজিপির দায়িত্ব এটা নিশ্চিত করা যে কোনও আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়। অবজেকশন জমা দেওয়ার সময় দেওয়া হল, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশের ১০ দিন পর্যন্ত।
advertisement
7/8
শুধু তাই নয়, আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ভোটারের তরফে জমা দেওয়া নথি স‍্যাটিসফায়েড না হলে নোটিস দেওয়া হবে। এফেক্টেড ভোটারদের নথি জমা দেওয়ার পরও শোনার সুযোগ দিতে হবে।
শুধু তাই নয়, আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ভোটারের তরফে জমা দেওয়া নথি স‍্যাটিসফায়েড না হলে নোটিস দেওয়া হবে। এফেক্টেড ভোটারদের নথি জমা দেওয়ার পরও শোনার সুযোগ দিতে হবে।
advertisement
8/8
এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ''মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ডও নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের মাধ‍্যমিকের নথিতে জন্মের তালিকা দেওয়া আছে।'' এই অভিযোগ শুনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ''আপনি আমাদের কাছে এরকম তালিকা নিয়ে আসুন, যাঁদের মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট অ‍্যালাও করা হয়নি।'' বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত সাফ বলেন, ''আপনাদের তো বোর্ডের দেওয়া অ‍্যাডমিট কার্ড অ‍্যালাও করতে হবে। কারণ বাংলায় জন্মের শংসাপত্রের সঙ্গে তালিকা মিলিয়ে দেওয়া হয় বোর্ডের অ‍্যাডমিট কার্ডে। সেটা কেন আপনারা গ্রহণ করছেন না?'' প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ''তাহলে দুটো নথিই চাইতে পারে কমিশন। জন্মের শংসাপত্র এবং অ‍্যাডমিট কার্ড।''
এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ''মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ডও নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের মাধ‍্যমিকের নথিতে জন্মের তালিকা দেওয়া আছে।'' এই অভিযোগ শুনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ''আপনি আমাদের কাছে এরকম তালিকা নিয়ে আসুন, যাঁদের মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট অ‍্যালাও করা হয়নি।'' বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত সাফ বলেন, ''আপনাদের তো বোর্ডের দেওয়া অ‍্যাডমিট কার্ড অ‍্যালাও করতে হবে। কারণ বাংলায় জন্মের শংসাপত্রের সঙ্গে তালিকা মিলিয়ে দেওয়া হয় বোর্ডের অ‍্যাডমিট কার্ডে। সেটা কেন আপনারা গ্রহণ করছেন না?'' প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ''তাহলে দুটো নথিই চাইতে পারে কমিশন। জন্মের শংসাপত্র এবং অ‍্যাডমিট কার্ড।''
advertisement
advertisement
advertisement