বাংলার চাষিদের জন্য সুখবর...! খরা-বন্যাতেও হবে বাম্পার ফলন, নতুন চার-চারটি ধানের ভ্যারাইটি আনল রাজ্য

Last Updated:
Rice: সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খুশির খবর শেয়ার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের কৃষি ক্ষেত্রে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য এই সাফল্যের জন্য বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
1/7
বাংলার কৃষি ক্ষেত্রে এবার বড় সাফল্য। রাজ্যের চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করে ফসল ফলাতে সক্ষম হবে এমন নতুন চারটি উচ্চফলনশীল ধানের ভ্যারাইটি উদ্ভাবন করল রাজ্য কৃষি দফতর।
বাংলার কৃষি ক্ষেত্রে এবার বড় সাফল্য। রাজ্যের চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করে ফসল ফলাতে সক্ষম হবে এমন নতুন চারটি উচ্চফলনশীল ধানের ভ্যারাইটি উদ্ভাবন করল রাজ্য কৃষি দফতর।
advertisement
2/7
সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খুশির খবর শেয়ার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের কৃষি ক্ষেত্রে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য এই সাফল্যের জন্য বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খুশির খবর শেয়ার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের কৃষি ক্ষেত্রে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য এই সাফল্যের জন্য বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
advertisement
3/7
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র। চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্রে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নিরলস গবেষণার ফল এই নতুন চারটি প্রজাতি আবিষ্কার করেছে। মূলত রাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই ধানগুলি তৈরি করা হয়েছে।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র। চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্রে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নিরলস গবেষণার ফল এই নতুন চারটি প্রজাতি আবিষ্কার করেছে। মূলত রাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই ধানগুলি তৈরি করা হয়েছে।
advertisement
4/7
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন,
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, "আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের কৃষি দফতর রাজ্যের আবহাওয়া/ জলবায়ুর উপযোগী চারটি নতুন ভ্যারাইটির উচ্চফলনশীল ধান উদ্ভাবন করেছে।"
advertisement
5/7
পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র এবং চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্রে দীর্ঘ কয়েক বছরের গবেষণার পর এই প্রজাতিগুলি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা তাঁর পোস্টে লেখেন,
পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র এবং চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্রে দীর্ঘ কয়েক বছরের গবেষণার পর এই প্রজাতিগুলি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা তাঁর পোস্টে লেখেন, "আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী-সহ সকলকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।"
advertisement
6/7
এই চারটি নতুন ভ্যারাইটির মধ্যে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার মতো খরাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য ‘সুভাষিণী’, ‘লছমন্তি’ ও ‘মুসাফির’ নামে তিনটি প্রজাতি রয়েছে, যা খরিফ মরশুমে হেক্টর প্রতি ৫২ থেকে ৫৫ কুইন্টাল ফলন দিতে সক্ষম হবে।
এই চারটি নতুন ভ্যারাইটির মধ্যে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার মতো খরাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য ‘সুভাষিণী’, ‘লছমন্তি’ ও ‘মুসাফির’ নামে তিনটি প্রজাতি রয়েছে, যা খরিফ মরশুমে হেক্টর প্রতি ৫২ থেকে ৫৫ কুইন্টাল ফলন দিতে সক্ষম হবে।
advertisement
7/7
অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের বন্যাপ্রবণ এলাকার জন্য ‘ইরাবতী’ নামে একটি প্রজাতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন অবস্থায় নষ্ট হয় না এবং ঝড়ে হেলেও পড়ে না। এই চারটিকে ধরে, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাজ্য সরকার কৃষকদের সুবিধার্থে গবেষণার মাধ্যমে মোট ২৫টি নতুন ফসলের প্রজাতি তৈরি করল, যার মধ্যে ১৫টি ধানের ভ্যারাইটি রয়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের বন্যাপ্রবণ এলাকার জন্য ‘ইরাবতী’ নামে একটি প্রজাতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন অবস্থায় নষ্ট হয় না এবং ঝড়ে হেলেও পড়ে না। এই চারটিকে ধরে, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাজ্য সরকার কৃষকদের সুবিধার্থে গবেষণার মাধ্যমে মোট ২৫টি নতুন ফসলের প্রজাতি তৈরি করল, যার মধ্যে ১৫টি ধানের ভ্যারাইটি রয়েছে।
advertisement
advertisement
advertisement