advertisement

Sundarbans News: সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রে মিরাকেল ঘটনা! দেখা মিলল বিলুপ্তপ্রায় হোয়াইট রাম্পড ভালচার, কীভাবে অবলুপ্তি পথে গিয়েছে শকুনের এই প্রজাতি

Last Updated:
Sundarbans News: সুন্দরবনে পরিযায়ী পাখির সঙ্গে দেখা মিলল বিপন্ন প্রজাতির হোয়াইট রাম্পড ভালচার। সদ্য সমাপ্ত চতুর্থ বার্ড ফেস্টিভালে চিত্রগ্রাহকরা সাদা-পিঠের শকুনের ছবি তুলেছেন।
1/5
সুন্দরবনে পরিযায়ী পাখির সঙ্গে দেখা মিলল হোয়াইট রাম্পড ভালচার বা সাদা-পিঠের শকুন। সদ্য সমাপ্ত চতুর্থ বার্ড ফেস্টিভালে অংশগ্রহণকারীরা এই ভালচারের ছবি তুলেছেন। নেতিধোপানিতে দুটি হোয়াইট রাম্পড ভালচারকে গাছের মাথায় ডানা মেলে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
সুন্দরবনে পরিযায়ী পাখির সঙ্গে দেখা মিলল হোয়াইট রাম্পড ভালচার বা সাদা-পিঠের শকুন। সদ্য সমাপ্ত চতুর্থ বার্ড ফেস্টিভালে অংশগ্রহণকারীরা এই ভালচারের ছবি তুলেছেন। নেতিধোপানিতে দুটি হোয়াইট রাম্পড ভালচারকে গাছের মাথায় ডানা মেলে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
advertisement
2/5
২০০০ সাল থেকে এই শুকুন আইইউসিএন রেড লিস্টে (IUCN Red List) অন্তর্ভুক্ত। ফলে অত্যন্ত বিপন্ন প্রজাতি এটি‌। ডাইক্লোফেনাক বিষক্রিয়ার কারণে কিডনি বিকল হয়ে এই প্রজাতির শুকুন ব্যাপক হারে মারা গিয়েছে।
২০০০ সাল থেকে এই শুকুন আইইউসিএন রেড লিস্টে (IUCN Red List) অন্তর্ভুক্ত। ফলে অত্যন্ত বিপন্ন প্রজাতি এটি‌। ডাইক্লোফেনাক বিষক্রিয়ার কারণে কিডনি বিকল হয়ে এই প্রজাতির শুকুন ব্যাপক হারে মারা গিয়েছে।
advertisement
3/5
সুন্দরবনে প্রতিবছর শীতকালে প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসে। এই বছর সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রথম শকুন প্রজাতির এই পাখি দেখা গিয়েছে সুন্দরবনে। ফলে সরকারিভাবে সেটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
সুন্দরবনে প্রতিবছর শীতকালে প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসে। এই বছর সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রথম শকুন প্রজাতির এই পাখি দেখা গিয়েছে সুন্দরবনে। ফলে সরকারিভাবে সেটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
advertisement
4/5
এদিকে এই শুকুন আসায় বাঘের খাবারে ভাগ বসাতে পারে তারা। এই শুকুন প্রচুর পরিমাণে মাংস খায়। এই শুকুন নিয়ে আরও তথ্যের প্রয়োজন আছে। সুন্দরবনে হোয়াইট রাম্পড শুকুন আরও রয়েছে আছে কিনা দেখা হচ্ছে।
এদিকে এই শুকুন আসায় বাঘের খাবারে ভাগ বসাতে পারে তারা। এই শুকুন প্রচুর পরিমাণে মাংস খায়। এই শুকুন নিয়ে আরও তথ্যের প্রয়োজন আছে। সুন্দরবনে হোয়াইট রাম্পড শুকুন আরও রয়েছে আছে কিনা দেখা হচ্ছে।
advertisement
5/5
এই শুকুন হ্রাস পেয়েছিল ডাইক্লোফেনাকের বিষক্রিয়ার কারণে। পশু চিকিৎসায় নন-স্টেরয়েড অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এটি। গবাদি পশু মারা যাওয়ার পরও সেই ওষুধের অস্তিত্ব থাকে শরীরে। শুকুন সেই মৃত প্রাণীর মাংস খেলে বিষক্রিয়ায় মারা পরত‌। ফলে সুন্দরবনে আচমকা বিরল এই শকুনের দর্শন পেয়ে উচ্ছ্বসিত পক্ষপ্রেমী থেকে টাইগার রিজার্ভের আধিকারিকরা। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
এই শুকুন হ্রাস পেয়েছিল ডাইক্লোফেনাকের বিষক্রিয়ার কারণে। পশু চিকিৎসায় নন-স্টেরয়েড অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এটি। গবাদি পশু মারা যাওয়ার পরও সেই ওষুধের অস্তিত্ব থাকে শরীরে। শুকুন সেই মৃত প্রাণীর মাংস খেলে বিষক্রিয়ায় মারা পরত‌। ফলে সুন্দরবনে আচমকা বিরল এই শকুনের দর্শন পেয়ে উচ্ছ্বসিত পক্ষপ্রেমী থেকে টাইগার রিজার্ভের আধিকারিকরা। (ছবি ও তথ্য: নবাব মল্লিক)
advertisement
advertisement
advertisement