advertisement

Barasat Flyover: বারাসতে তৈরি হচ্ছে ত্রিমুখী ফ্লাইওভার! চাঁপাডালি থেকে হেলাবটতলা— যানজট মুক্ত হবে যশোর রোড

Last Updated:
Barasat Flyover: বারাসতে দীর্ঘদিনের যানজট কমাতে ত্রিমুখী ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যশোর রোড সংযোগ ও আন্ডারপাস সহ এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে
1/6
দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত শহরে ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অফিস টাইমে তীব্র যানজটে নাজেহাল পরিস্থিতির মধ্যে এই প্রকল্প ঘিরে আশার আলো দেখতে শুরু করেছে জেলা সদর শহরের সাধারণ মানুষ। যদিও এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের ঘোষণা করেনি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। (তথ্য ও ছবি: রুদ্র নারায়ণ রায়)
দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত শহরে ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অফিস টাইমে তীব্র যানজটে নাজেহাল পরিস্থিতির মধ্যে এই প্রকল্প ঘিরে আশার আলো দেখতে শুরু করেছে জেলা সদর শহরের সাধারণ মানুষ। যদিও এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের ঘোষণা করেনি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। (তথ্য ও ছবি: রুদ্র নারায়ণ রায়)
advertisement
2/6
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভারটি ত্রিমুখী হবে। এটি সংযুক্ত করবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মোড়—চাঁপাডালি মোড়, ডাকবাংলো মোড় এবং হেলাবটতলা (কলোনি মোড়)। বিশেষ করে বনগাঁ ও সীমান্তমুখী যান চলাচলকে সিগন্যালমুক্ত করতে যশোর রোড-এর সঙ্গে একটি সংযোগ লুপ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ডাকবাংলো মোড় এড়িয়ে সরাসরি যাতায়াত সম্ভব হয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভারটি ত্রিমুখী হবে। এটি সংযুক্ত করবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মোড়—চাঁপাডালি মোড়, ডাকবাংলো মোড় এবং হেলাবটতলা (কলোনি মোড়)। বিশেষ করে বনগাঁ ও সীমান্তমুখী যান চলাচলকে সিগন্যালমুক্ত করতে যশোর রোড-এর সঙ্গে একটি সংযোগ লুপ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ডাকবাংলো মোড় এড়িয়ে সরাসরি যাতায়াত সম্ভব হয়।
advertisement
3/6
এছাড়াও, যশোর রোড থেকে আসা ছোট গাড়িগুলির নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য একটি আন্ডারপাস তৈরির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে তারা ফ্লাইওভারের নীচ দিয়ে সহজে চলাচল করতে পারে।
এছাড়াও, যশোর রোড থেকে আসা ছোট গাড়িগুলির নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য একটি আন্ডারপাস তৈরির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে তারা ফ্লাইওভারের নীচ দিয়ে সহজে চলাচল করতে পারে।
advertisement
4/6
প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ড্রোন ইমেজিং ও ডিজিটাল ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত রুট সার্ভে করা হবে। একই সঙ্গে সয়েল টেস্ট, রাস্তার দু’ধারের জবরদখল চিহ্নিতকরণ এবং ভূগর্ভস্থ জল ও বিদ্যুতের লাইন স্থানান্তরের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ড্রোন ইমেজিং ও ডিজিটাল ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত রুট সার্ভে করা হবে। একই সঙ্গে সয়েল টেস্ট, রাস্তার দু’ধারের জবরদখল চিহ্নিতকরণ এবং ভূগর্ভস্থ জল ও বিদ্যুতের লাইন স্থানান্তরের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
advertisement
5/6
বর্তমানে প্রকল্পটি ‘প্রি-টেন্ডার’ পর্যায়ে থাকলেও, কিছু জায়গায় গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যা বাধা সৃষ্টি করছে। সেই সমস্যা মিটলেই প্রকল্পের অনুমোদন হয়ে দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্মাণকাজ শুরু হতে পারে বলেই সূত্রের খবর।
বর্তমানে প্রকল্পটি ‘প্রি-টেন্ডার’ পর্যায়ে থাকলেও, কিছু জায়গায় গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যা বাধা সৃষ্টি করছে। সেই সমস্যা মিটলেই প্রকল্পের অনুমোদন হয়ে দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্মাণকাজ শুরু হতে পারে বলেই সূত্রের খবর।
advertisement
6/6
উল্লেখ্য, জাতীয় সড়ক ১২ সংলগ্ন এই অংশ দীর্ঘদিন ধরেই যানজটের অন্যতম বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ফ্লাইওভারটি নির্মিত হলে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে কৃষ্ণনগর ও উত্তরবঙ্গমুখী যান চলাচল অনেকটাই স্বস্তিদায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি বারাসত শহরের অভ্যন্তরীণ ট্রাফিক ব্যবস্থাও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে প্রশাসনের আশা। (তথ্য ও ছবি: রুদ্র নারায়ণ রায়)
উল্লেখ্য, জাতীয় সড়ক ১২ সংলগ্ন এই অংশ দীর্ঘদিন ধরেই যানজটের অন্যতম বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ফ্লাইওভারটি নির্মিত হলে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে কৃষ্ণনগর ও উত্তরবঙ্গমুখী যান চলাচল অনেকটাই স্বস্তিদায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি বারাসত শহরের অভ্যন্তরীণ ট্রাফিক ব্যবস্থাও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে প্রশাসনের আশা। (তথ্য ও ছবি: রুদ্র নারায়ণ রায়)
advertisement
advertisement
advertisement