advertisement

Barrackpore: এখানেই ফাঁসিকাঠে ঝোলানো হয়েছিল বিদ্রোহী মঙ্গল পান্ডেকে! ব্যারাকপুরে ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস বাঁচানোর উদ্যোগ

Last Updated:
Barrackpore: ঐতিহাসিক ব্যারাকপুরে মঙ্গল পান্ডের স্মৃতি যেন আজ অনেকাংশেই উপেক্ষিত! নেই ইতিহাস বাঁচিয়ে রাখার উদ্যোগ 
1/6
উত্তর ২৪ পরগনা, রুদ্র নারায়ণ রায়: ঐতিহাসিক ব্যারাকপুরে মঙ্গল পান্ডের স্মৃতি যেন আজ উপেক্ষিত! পর্যটন সম্ভাবনা থাকলেও অধিকাংশ দিনই বন্ধ থাকে দর্শনীয় স্থান। সাধারণ একজন সিপাহী হয়েও ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিলেন মঙ্গল পান্ডে। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ সফল না হলেও, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তাঁরই হাত ধরে
উত্তর ২৪ পরগনা, রুদ্র নারায়ণ রায়: ঐতিহাসিক ব্যারাকপুরে মঙ্গল পান্ডের স্মৃতি যেন আজ উপেক্ষিত! পর্যটন সম্ভাবনা থাকলেও অধিকাংশ দিনই বন্ধ থাকে দর্শনীয় স্থান। সাধারণ একজন সিপাহী হয়েও ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিলেন মঙ্গল পান্ডে। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ সফল না হলেও, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল তাঁরই হাত ধরে
advertisement
2/6
সেই ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর। স্বাধীনতা আন্দোলনে তিনি প্রথম শহীদ। এই ব্যারাকপুরের মাটিতেই ইংরেজ আমলে ফাঁসিকাঠে ঝোলানো হয়েছিল সিপাহী বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক মঙ্গল পান্ডেকে
সেই ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর। স্বাধীনতা আন্দোলনে তিনি প্রথম শহীদ। এই ব্যারাকপুরের মাটিতেই ইংরেজ আমলে ফাঁসিকাঠে ঝোলানো হয়েছিল সিপাহী বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক মঙ্গল পান্ডেকে৷
advertisement
3/6
আজও গভর্নর হাউসের ঠিক সামনেই রয়েছে সেই ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে নির্মিত হয়েছে শহীদ বেদী। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল পান্ডের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে তাঁর নামানুসারে তৈরি হয়েছে উদ্যান ও রাস্তা, যা ব্যারাকপুরের গৌরবময় অতীতের সাক্ষ্য বহন করে
আজও গভর্নর হাউসের ঠিক সামনেই রয়েছে সেই ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে নির্মিত হয়েছে শহীদ বেদী। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল পান্ডের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে তাঁর নামানুসারে তৈরি হয়েছে উদ্যান ও রাস্তা, যা ব্যারাকপুরের গৌরবময় অতীতের সাক্ষ্য বহন করে
advertisement
4/6
কিন্তু এত ঐতিহাসিক গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও ব্যারাকপুরের এই সব স্মৃতিবিজড়িত স্থান কার্যত পর্যটকদের নাগালের বাইরে। গভর্নর হাউসে প্রবেশের জন্য বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হয় এবং সাধারণ মানুষের জন্য ভেতরে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
কিন্তু এত ঐতিহাসিক গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও ব্যারাকপুরের এই সব স্মৃতিবিজড়িত স্থান কার্যত পর্যটকদের নাগালের বাইরে। গভর্নর হাউসে প্রবেশের জন্য বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হয় এবং সাধারণ মানুষের জন্য ভেতরে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
advertisement
5/6
নির্দিষ্ট সময় মেনে একটি সংগ্রহশালা থাকলেও, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ- বছরের অধিকাংশ দিনই সেটি বন্ধ থাকে। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ঐতিহ্যবাহী এই স্থানগুলি দর্শন না করেই ফিরে যেতে হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রশাসনের কাছে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাঁদের মতে, সংগ্রহশালা নিয়মিত খোলা থাকলে এবং পর্যটকদের জন্য দর্শনের সুযোগ বাড়ালে এলাকার পর্যটন ব্যবসা যেমন লাভবান হবে, তেমনই স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে।
নির্দিষ্ট সময় মেনে একটি সংগ্রহশালা থাকলেও, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ- বছরের অধিকাংশ দিনই সেটি বন্ধ থাকে। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ঐতিহ্যবাহী এই স্থানগুলি দর্শন না করেই ফিরে যেতে হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রশাসনের কাছে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাঁদের মতে, সংগ্রহশালা নিয়মিত খোলা থাকলে এবং পর্যটকদের জন্য দর্শনের সুযোগ বাড়ালে এলাকার পর্যটন ব্যবসা যেমন লাভবান হবে, তেমনই স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে।
advertisement
6/6
বর্তমানে শনিবার, রবিবার ও ছুটির দিন ছাড়া অন্যান্য দিনে ব্যারাকপুরে পর্যটকদের আনাগোনা প্রায় নেই বললেই চলে। ইতিহাসপ্রেমী মানুষজনের মতে, স্বাধীনতা সংগ্রামের এমন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে আরও বেশি করে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়ার একান্ত প্রয়োজন রয়েছে।
বর্তমানে শনিবার, রবিবার ও ছুটির দিন ছাড়া অন্যান্য দিনে ব্যারাকপুরে পর্যটকদের আনাগোনা প্রায় নেই বললেই চলে। ইতিহাসপ্রেমী মানুষজনের মতে, স্বাধীনতা সংগ্রামের এমন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে আরও বেশি করে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়ার একান্ত প্রয়োজন রয়েছে।
advertisement
advertisement
advertisement