East Bardhaman News: AI কি বদলে দেবে আমাদের সংস্কৃতি! বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ আন্তর্জাতিক আলোচনাসভা, এক ছাদের তলায় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষজ্ঞরা
- Reported by:Sayani Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Sneha Paul
Last Updated:
East Bardhaman News: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর শুধুমাত্র বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনেও প্রবেশ করেছে।
বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ধীরে ধীরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর শুধুমাত্র বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনেও প্রবেশ করেছে। এমনকি সৃজনশীল কাজেও বৃদ্ধি পাচ্ছে এইআই-এর জনপ্রিয়তা। (ছবি ও তথ্যঃ সায়নী সরকার)
advertisement
তাই বিভিন্ন কাজে এআই-এর ব্যবহার ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্তকতা সম্পর্কে সচেতন করতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সেন্টার ফর অস্ট্রেলিয়া স্টাডিজ-এর উদ্যোগে এবং অস্ট্রেলিয়ান কনসুলেট জেনারেল কলকাতা সহযোগিতায় বিশেষ আন্তর্জাতিক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হল। কলকাতার অস্ট্রেলিয়ান কনসাল জেনারেল ড. কেভিন গো এই সভার উদ্বোধন করেন। সভাপতিত্ব করেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শংকর কুমার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের অধ্যক্ষ অধ্যাপক পার্থপ্রতিম দাস।
advertisement
'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাংস্কৃতিক আখ্যান এবং শিক্ষার ভবিষ্যৎ: পরিপ্রেক্ষিতে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া' শীর্ষক আন্তর্জাতিক এই আলোচনাসভায় ড. কেভিন গো তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা দিকটি তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে এবং সাংস্কৃতিক আখ্যান নির্মাণে সংযতভাবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দিকটিও তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া নিজেদের মধ্যে সংযোগরক্ষা করে কাজ করলে দু'টি দেশের পক্ষেই লাভজনক হবে বলে জানান তিনি।
advertisement
উপাচার্য শংকরকুমার নাথ বলেন, সর্বোত্তমীকরণ না করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করলে আশানুরূপ ফলাফল লাভ করা যাবে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সচেতনভাবে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন তিনি। এই আলোচনাসভায় পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত এবং ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য থেকে সাহিত্য, সাংস্কৃতিক অধ্যয়ন, শিক্ষা, ডিজিটাল হিউম্যানিটিজ এবং সংশ্লিষ্ট নানা শাখার অধ্যাপক ও গবেষকরা তাঁদের গবেষণাপত্রও পাঠ করেন।
advertisement
পঠিত বিভিন্ন গবেষণাপত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যখন ক্রমশ সাংস্কৃতিক উৎপাদন ও শিক্ষাচর্চার মধ্যস্থতাকারীতে পরিণত হচ্ছে, তখন কোন জাতিগোষ্ঠীর গল্প সংরক্ষিত হচ্ছে, কার কণ্ঠস্বর প্রাধান্য পাচ্ছে এবং কোন কোন জ্ঞানতত্ত্ব বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে এইসব বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়। অস্ট্রেলিয়ার ওলংগঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শ্যাডি কসগ্রোভ আলোচনা সভাটির সূচক বক্তৃতা প্রদান করেন।
advertisement
advertisement
সেন্টার ফর অস্ট্রেলিয়ান স্টাডিজ-এর ডিরেক্টর অধ্যাপক অংশুমান কর বলেন, “দেশ এবং বিদেশের বিভিন্ন শিক্ষাবিদ এবং গবেষকদের উপস্থিতিতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, তরুণ গবেষক এবং ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের গবেষণাপত্র পাঠ করেছেন। এই আলোচনাসভা বুঝিয়ে দিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার ক্ষেত্রে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পিছিয়ে নেই। এই আলোচনা সভায় পঠিত গবেষণাপত্রগুলি নিয়ে একটি বই প্রকাশ করা হবে”।
advertisement








