advertisement

Darjeeling Toy Train: হিমালয়ান রেলওয়ের বড় চমক! ব্রিটিশ আমলের কাঠের কামরায় চেপে দার্জিলিং ভ্রমণের সুযোগ শীঘ্রই

Last Updated:
Darjeeling Toy Train: ব্রিটিশ আমলের কাঠের কামরা ও বাষ্পচালিত ইঞ্জিন নিয়ে ঐতিহাসিক রূপে ফিরছে দার্জিলিং টয়ট্রেন। পর্যটকদের জন্য নস্টালজিয়া ও ঐতিহ্যের বিশেষ অভিজ্ঞতা দিতে ডিএইচআর-এর নতুন উদ্যোগ।
1/5
দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি পথে আবারও ইতিহাসের হুইসেল শোনাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর)। পর্যটকদের কাছে টয়ট্রেন ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী কামরাগুলিকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাষ্পচালিত হেরিটেজ ইঞ্জিন ট্র্যাকে নামানো হয়েছে, এবার সেই ইতিহাসের সঙ্গে জুড়তে চলেছে পুরনো দিনের কামরাও। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি পথে আবারও ইতিহাসের হুইসেল শোনাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর)। পর্যটকদের কাছে টয়ট্রেন ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী কামরাগুলিকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাষ্পচালিত হেরিটেজ ইঞ্জিন ট্র্যাকে নামানো হয়েছে, এবার সেই ইতিহাসের সঙ্গে জুড়তে চলেছে পুরনো দিনের কামরাও। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
2/5
ডিএইচআর সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিটিশ আমলে ব্যবহৃত মোট ১৪টি কাঠের কামরা মেরামত করে ফের লাইনে নামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। পর্যটকদের একাংশ আজও জানতে চান, শতাব্দীপ্রাচীন সেই সময়ে কীভাবে পাহাড় বেয়ে চলত টয়ট্রেন। সেই কৌতূহল ও নস্টালজিয়াকেই সামনে রেখে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ।
ডিএইচআর সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিটিশ আমলে ব্যবহৃত মোট ১৪টি কাঠের কামরা মেরামত করে ফের লাইনে নামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। পর্যটকদের একাংশ আজও জানতে চান, শতাব্দীপ্রাচীন সেই সময়ে কীভাবে পাহাড় বেয়ে চলত টয়ট্রেন। সেই কৌতূহল ও নস্টালজিয়াকেই সামনে রেখে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ।
advertisement
3/5
ডিএইচআর-এর অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরীর কথায়, পর্যটনকে আরও প্রাণবন্ত করতে ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন ঘটানোই লক্ষ্য। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই মিউজিয়ামে থাকা ব্রিটিশ আমলের স্টিম ইঞ্জিন সংস্কার করে ট্র্যাকে নামানো হয়েছে। একটি ইঞ্জিন বর্তমানে হেরিটেজ সাফারিতে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং আরও দু’টি ধাপে ধাপে চালু করা হবে। এবার ইঞ্জিনের পাশাপাশি কামরাগুলিকেও ঐতিহাসিক আদলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
ডিএইচআর-এর অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরীর কথায়, পর্যটনকে আরও প্রাণবন্ত করতে ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন ঘটানোই লক্ষ্য। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই মিউজিয়ামে থাকা ব্রিটিশ আমলের স্টিম ইঞ্জিন সংস্কার করে ট্র্যাকে নামানো হয়েছে। একটি ইঞ্জিন বর্তমানে হেরিটেজ সাফারিতে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং আরও দু’টি ধাপে ধাপে চালু করা হবে। এবার ইঞ্জিনের পাশাপাশি কামরাগুলিকেও ঐতিহাসিক আদলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
advertisement
4/5
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান রাজ বসু। তাঁর মতে, টয়ট্রেন কেবল একটি পরিবহণ ব্যবস্থা নয়, এটি দার্জিলিংয়ের আত্মপরিচয়ের অংশ। পর্যটকদের কাছে টয়ট্রেন মানেই একরাশ স্মৃতি ও আবেগ। ডিএইচআরের এই পদক্ষেপ পাহাড়ের পর্যটনকে নতুন দিশা দেখাবে বলেই মনে করছেন তিনি।
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান রাজ বসু। তাঁর মতে, টয়ট্রেন কেবল একটি পরিবহণ ব্যবস্থা নয়, এটি দার্জিলিংয়ের আত্মপরিচয়ের অংশ। পর্যটকদের কাছে টয়ট্রেন মানেই একরাশ স্মৃতি ও আবেগ। ডিএইচআরের এই পদক্ষেপ পাহাড়ের পর্যটনকে নতুন দিশা দেখাবে বলেই মনে করছেন তিনি।
advertisement
5/5
উল্লেখ্য, আধুনিকীকরণের পথে ডিজেল ইঞ্জিন, নতুন কামরা ও সংস্কার করা হিল স্টেশন ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিদেশি ও দেশীয় পর্যটকদের বড় অংশের আকর্ষণ আজও ব্রিটিশ আমলের টয়ট্রেনেই। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ‘কুইন অব হিল’-এর ইতিহাসকে ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে এই বিশেষ পরিকল্পনা। আগামী এক বছরের মধ্যেই ঐতিহ্যবাহী কামরায় চেপে পর্যটকরা ফের অনুভব করতে পারবেন দার্জিলিংয়ের হারিয়ে যাওয়া অতীত। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
উল্লেখ্য, আধুনিকীকরণের পথে ডিজেল ইঞ্জিন, নতুন কামরা ও সংস্কার করা হিল স্টেশন ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিদেশি ও দেশীয় পর্যটকদের বড় অংশের আকর্ষণ আজও ব্রিটিশ আমলের টয়ট্রেনেই। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ‘কুইন অব হিল’-এর ইতিহাসকে ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে এই বিশেষ পরিকল্পনা। আগামী এক বছরের মধ্যেই ঐতিহ্যবাহী কামরায় চেপে পর্যটকরা ফের অনুভব করতে পারবেন দার্জিলিংয়ের হারিয়ে যাওয়া অতীত। (ছবি ও তথ্য: ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
advertisement
advertisement