Birbhum News: বিরাট স্বস্তি বীরভূমে! যান চলাচল শুরু তিলপাড়া ব্যারেজের বিকল্প রাস্তায়, কমল জনভোগান্তি
- Reported by:Sudipta Garain
- hyperlocal
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Birbhum News: দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও টালবাহানার পর অবশেষে বীরভূমের তিলপাড়া ব্যারেজ সংলগ্ন নবনির্মিত বিকল্প রাস্তায় (কজওয়ে) শুরু হল ভারী যান চলাচল। ময়ূরাক্ষী নদীর উপর হিউম পাইপ বসিয়ে তৈরি এই কজওয়ে চালু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ট্রাক মালিক, বাসযাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। এর ফলে সিউড়ি-রামপুরহাট রুটে চলাচলকারী ভারী পণ্যবাহী গাড়িগুলিকে আর দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে না।
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও টালবাহানার পর অবশেষে বীরভূমের তিলপাড়া ব্যারেজ সংলগ্ন নবনির্মিত বিকল্প রাস্তায় (কজওয়ে) শুরু হল ভারী যান চলাচল। ময়ূরাক্ষী নদীর উপর হিউম পাইপ বসিয়ে তৈরি এই কজওয়ে চালু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ট্রাক মালিক, বাসযাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। এর ফলে সিউড়ি-রামপুরহাট রুটে চলাচলকারী ভারী পণ্যবাহী গাড়িগুলিকে আর দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে না। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
গত বছরের ১ অগাস্ট তিলপাড়া ব্যারেজে ফাটল ধরা পড়ায় নিরাপত্তার কারণে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের অন্তর্গত ব্যারেজের উপর দিয়ে যাওয়া মূল রাস্তায় ভারী যান চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এর ফলে বিশেষ করে মহম্মদবাজার থেকে আসা পাথর বোঝাই ট্রাকগুলিকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যেতে হচ্ছিল। এতে যেমন জ্বালানি খরচ বেড়েছিল, তেমনই সময় নষ্ট হচ্ছিল ব্যাপকভাবে।
advertisement
advertisement
প্রশাসনের শর্ত অনুযায়ী কজওয়ের নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং যান নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব নেয় ট্রাক মালিক সংগঠন। মাঝপথে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হলেও জেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতায় গত বছরের শেষের দিকে কাজ সম্পন্ন হয়। সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে চার দিন আগে এই রাস্তায় ভারী যান চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়।
advertisement
এই বিকল্প রাস্তা চালু হওয়ায় সিউড়ি-সাঁইথিয়া ও মহম্মদবাজার-সাঁইথিয়া বাইপাসের উপর যানবাহনের চাপ কমেছে এবং সাঁইথিয়া শহরের যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পাশাপাশি তিলপাড়া ব্যারাজের উপর মূল জাতীয় সড়কের সংস্কার কাজও গতি পেয়েছে। ট্রাক মালিক সংগঠনের দাবি, সেচ দফতরের সব শর্ত মেনেই পরিবেশ ও নদীর বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করে কজওয়েটি পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে বাস ও অন্যান্য যাত্রিবাহী গাড়িও এই পথ ব্যবহার করছে, ফলে জেলাবাসীর নিত্যদিনের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)








