advertisement

রান্না করে তো খেয়েছেন, কিন্তু চালকুমড়োর খোলের আসল ব্যবহার জানেন না অনেকেই, দেখলে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারবেন না

Last Updated:
Bankura News: রান্না করে তো চালকুমড়ো অনেক খেয়েছেন। কিন্তু চালকুমড়োর খোলের আসল ব্যবহার জানেন না অনেকেই। বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামে এখনও গৃহস্থালির কাজে এবং লোকসংস্কৃতির বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে চালকুমড়োর খোল ব্যবহার হয়।
1/6
আধুনিকতার ঢেউ গ্রামবাংলার বহু প্রাচীন জিনিসকে হারিয়ে দিলেও এখনও বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে দেখা মেলে চালকুমড়োর খোলের ব্যবহার। গ্রামাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই প্রাকৃতিক বস্তুটি। শুকিয়ে নেওয়া চালকুমড়োর শক্ত খোল একসময় গ্রামীণ জীবনে পাত্র, বাদ্যযন্ত্র এমনকি নানা গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার হত। এখনও বাঁকুড়ার কিছু অঞ্চলে সেই ঐতিহ্যের চিহ্ন টিকে রয়েছে। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
আধুনিকতার ঢেউ গ্রামবাংলার বহু প্রাচীন জিনিসকে হারিয়ে দিলেও এখনও বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে দেখা মেলে চালকুমড়োর খোলের ব্যবহার। গ্রামাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই প্রাকৃতিক বস্তুটি। শুকিয়ে নেওয়া চালকুমড়োর শক্ত খোল একসময় গ্রামীণ জীবনে পাত্র, বাদ্যযন্ত্র এমনকি নানা গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার হত। এখনও বাঁকুড়ার কিছু অঞ্চলে সেই ঐতিহ্যের চিহ্ন টিকে রয়েছে। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
স্থানীয়দের কথায়, বড় আকারের চালকুমড়ো শুকিয়ে তার ভিতরের অংশ ফেলে দিলে যে শক্ত খোল তৈরি হয়, সেটিই ব্যবহার করা হয় নানা কাজে। বিশেষ করে জল বা শস্য রাখার পাত্র হিসেবে একসময় এটি খুবই জনপ্রিয় ছিল। প্লাস্টিক বা ধাতব পাত্রের প্রচলন বাড়ার আগে গ্রামবাংলায় এমন প্রাকৃতিক পাত্রই ছিল গৃহস্থালির ভরসা।
স্থানীয়দের কথায়, বড় আকারের চালকুমড়ো শুকিয়ে তার ভিতরের অংশ ফেলে দিলে যে শক্ত খোল তৈরি হয়, সেটিই ব্যবহার করা হয় নানা কাজে। বিশেষ করে জল বা শস্য রাখার পাত্র হিসেবে একসময় এটি খুবই জনপ্রিয় ছিল। প্লাস্টিক বা ধাতব পাত্রের প্রচলন বাড়ার আগে গ্রামবাংলায় এমন প্রাকৃতিক পাত্রই ছিল গৃহস্থালির ভরসা।
advertisement
3/6
শুধু পাত্র হিসেবেই নয়, চালকুমড়োর এই খোলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে লোকসঙ্গীতের জগতে। গ্রামীণ শিল্পীদের ব্যবহার করা একতারা তৈরির ক্ষেত্রে এই খোল ব্যবহার করা হয়। খোলের উপর চামড়া বা কাঠ বসিয়ে তার সঙ্গে বাঁশের দণ্ড লাগিয়ে তৈরি হয় একতারা। ফলে লোকসংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই সাধারণ বস্তুটি।
শুধু পাত্র হিসেবেই নয়, চালকুমড়োর এই খোলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে লোকসঙ্গীতের জগতে। গ্রামীণ শিল্পীদের ব্যবহার করা একতারা তৈরির ক্ষেত্রে এই খোল ব্যবহার করা হয়। খোলের উপর চামড়া বা কাঠ বসিয়ে তার সঙ্গে বাঁশের দণ্ড লাগিয়ে তৈরি হয় একতারা। ফলে লোকসংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই সাধারণ বস্তুটি।
advertisement
4/6
বাঁকুড়ার ক্ষেত্র সমীক্ষক খরাজ মিত্র বলেন, “এটা আগে ঘরে ঘরে দেখা যেত। অর্গানিক এই পাত্রের ব্যবহার বহুল ছিল। এখন দেখা না গেলেও প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে পাওয়া যায়।” তাঁর মতে, গ্রামবাংলার প্রাচীন জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এই চালকুমড়োর খোল।
বাঁকুড়ার ক্ষেত্র সমীক্ষক খরাজ মিত্র বলেন, “এটা আগে ঘরে ঘরে দেখা যেত। অর্গানিক এই পাত্রের ব্যবহার বহুল ছিল। এখন দেখা না গেলেও প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে পাওয়া যায়।” তাঁর মতে, গ্রামবাংলার প্রাচীন জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এই চালকুমড়োর খোল।
advertisement
5/6
বাঁকুড়ার জঙ্গলমহল সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে এখনও প্রবীণ মানুষদের বাড়িতে এমন খোল পাত্র হিসেবে ঝুলতে দেখা যায়। অনেকেই এটিকে জল তোলার পাত্র, শস্য রাখার পাত্র কিংবা রান্নাঘরের কাজে ব্যবহার করেন। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি পরিবেশবান্ধব বলেও মনে করেন গ্রামের মানুষ।
বাঁকুড়ার জঙ্গলমহল সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে এখনও প্রবীণ মানুষদের বাড়িতে এমন খোল পাত্র হিসেবে ঝুলতে দেখা যায়। অনেকেই এটিকে জল তোলার পাত্র, শস্য রাখার পাত্র কিংবা রান্নাঘরের কাজে ব্যবহার করেন। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি পরিবেশবান্ধব বলেও মনে করেন গ্রামের মানুষ।
advertisement
6/6
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ঐতিহ্য ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। প্লাস্টিক ও আধুনিক উপকরণের সহজলভ্যতার কারণে নতুন প্রজন্মের মধ্যে চালকুমড়োর খোলের ব্যবহার অনেকটাই কম। তবুও বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে এখনও কিছু মানুষ এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। গ্রামবাংলার প্রাচীন সংস্কৃতির নিদর্শন হিসেবে এই সাধারণ বস্তুটি আজও স্মরণ করিয়ে দেয় অতীতের সহজ সরল জীবনকে। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়) 
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ঐতিহ্য ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। প্লাস্টিক ও আধুনিক উপকরণের সহজলভ্যতার কারণে নতুন প্রজন্মের মধ্যে চালকুমড়োর খোলের ব্যবহার অনেকটাই কম। তবুও বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে এখনও কিছু মানুষ এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। গ্রামবাংলার প্রাচীন সংস্কৃতির নিদর্শন হিসেবে এই সাধারণ বস্তুটি আজও স্মরণ করিয়ে দেয় অতীতের সহজ সরল জীবনকে। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়) 
advertisement
advertisement
advertisement