advertisement

যুবরাজ সিংয়ের অবসরের কারণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি...‘আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করিনি’

Last Updated:
Yuvraj Singh's Stunning Confession On Why He Retired: সানিয়া মির্জার ইউটিউব চ্যানেলে যুবরাজ বলেন, ‘‘আমি আমার খেলা উপভোগ করছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল, যখন আমি ক্রিকেট খেলা উপভোগই করছি না, তখন কেন খেলছি? আমি নিজেকে সমর্থিত মনে করছিলাম না। আমি নিজেকে সম্মানিত মনে করছিলাম না।’’
1/6
যুবরাজ সিং তাঁর পেশাদার কেরিয়ারের শেষ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলা উপভোগ করছিলেন না ৷ এতটাই যে তিনি তাঁর এই খেলায় যুক্ত থাকার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন। যুবরাজকে ভারতের হয়ে সাদা বলের ক্রিকেট খেলা অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য করা হয় এবং ২০০৭ সালের আইসিসি বিশ্ব টি-টোয়েন্টি এবং ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে দলের জন্য তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যুবরাজ সিং তাঁর পেশাদার কেরিয়ারের শেষ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলা উপভোগ করছিলেন না ৷ এতটাই যে তিনি তাঁর এই খেলায় যুক্ত থাকার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন। যুবরাজকে ভারতের হয়ে সাদা বলের ক্রিকেট খেলা অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য করা হয় এবং ২০০৭ সালের আইসিসি বিশ্ব টি-টোয়েন্টি এবং ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে দলের জন্য তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
2/6
বস্তুত, ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভারত যখন নিজেদের দেশে প্রথম দল হিসেবে শিরোপা জেতে, তখন যুবরাজ টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন। পরবর্তীকালে এই তথ্যটি প্রকাশ পায় যে, তিনি সেই সময়ে নীরবে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। তবে, যুবরাজ তাঁর সেরা সময়ে যে মানদণ্ড তৈরি করেছিলেন, সঙ্গে বিপুল প্রত্যাশার চাপ শেষ পর্যন্ত তাঁর উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে, কারণ বয়স বাড়ছিল। এরপর যে সমালোচনা শুরু হয়, তা যুবরাজকে এই অনুভূতি দেয় যে তাঁকে আর সমর্থন ও সম্মান করা হচ্ছে না।
বস্তুত, ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভারত যখন নিজেদের দেশে প্রথম দল হিসেবে শিরোপা জেতে, তখন যুবরাজ টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন। পরবর্তীকালে এই তথ্যটি প্রকাশ পায় যে, তিনি সেই সময়ে নীরবে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। তবে, যুবরাজ তাঁর সেরা সময়ে যে মানদণ্ড তৈরি করেছিলেন, সঙ্গে বিপুল প্রত্যাশার চাপ শেষ পর্যন্ত তাঁর উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে, কারণ বয়স বাড়ছিল। এরপর যে সমালোচনা শুরু হয়, তা যুবরাজকে এই অনুভূতি দেয় যে তাঁকে আর সমর্থন ও সম্মান করা হচ্ছে না।
advertisement
3/6
এটিই তাঁকে তাঁর খেলোয়াড় জীবনে ইতি টানতে বাধ্য করে: সানিয়া মির্জার ইউটিউব চ্যানেলে যুবরাজ বলেন, ‘‘আমি আমার খেলা উপভোগ করছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল, যখন আমি ক্রিকেট খেলা উপভোগই করছি না, তখন কেন খেলছি? আমি নিজেকে সমর্থিত মনে করছিলাম না। আমি নিজেকে সম্মানিত মনে করছিলাম না। এবং আমার মনে হয়েছিল, যখন আমার কাছে এগুলো নেই, তখন আমার এটা করার দরকার কী? খেলাটা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে, আমি আমার সেরাটা দিয়েছি।’’
এটিই তাঁকে তাঁর খেলোয়াড় জীবনে ইতি টানতে বাধ্য করে: সানিয়া মির্জার ইউটিউব চ্যানেলে যুবরাজ বলেন, ‘‘আমি আমার খেলা উপভোগ করছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল, যখন আমি ক্রিকেট খেলা উপভোগই করছি না, তখন কেন খেলছি? আমি নিজেকে সমর্থিত মনে করছিলাম না। আমি নিজেকে সম্মানিত মনে করছিলাম না। এবং আমার মনে হয়েছিল, যখন আমার কাছে এগুলো নেই, তখন আমার এটা করার দরকার কী? খেলাটা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে, আমি আমার সেরাটা দিয়েছি।’’
advertisement
4/6
‘যে জিনিসটা আমি উপভোগ করছি না, সেটা আঁকড়ে ধরে আছি কেন? আমার খেলার দরকার কী? কী প্রমাণ করার জন্য? আমি এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারব না, মানসিকভাবে বা শারীরিকভাবে, এবং এটা আমাকে কষ্ট দিচ্ছিল। আর যেদিন আমি খেলা ছেড়ে দিলাম, সেদিন আমি আবার নিজের মতো হয়ে গেলাম,’’ তিনি যোগ করেন।
‘যে জিনিসটা আমি উপভোগ করছি না, সেটা আঁকড়ে ধরে আছি কেন? আমার খেলার দরকার কী? কী প্রমাণ করার জন্য? আমি এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারব না, মানসিকভাবে বা শারীরিকভাবে, এবং এটা আমাকে কষ্ট দিচ্ছিল। আর যেদিন আমি খেলা ছেড়ে দিলাম, সেদিন আমি আবার নিজের মতো হয়ে গেলাম,’’ তিনি যোগ করেন।
advertisement
5/6
যুবরাজ হয়তো খেলার একজন কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন, কিন্তু একটা সময় ছিল যখন তাঁর প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল এবং ভারতের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান নভজ্যোত সিং সিধু তাঁকে বাতিল করে দিয়েছিলেন। নভজ্যোত যখন এই মন্তব্য করেছিলেন, তখন যুবরাজের বয়স ছিল কৈশোরের শুরুর দিকে, এই নিয়ে তাঁর মনে কোনও তিক্ততা নেই। তবে, তাঁর বাবা যোগরাজ বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছিলেন। (File Photo)
যুবরাজ হয়তো খেলার একজন কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন, কিন্তু একটা সময় ছিল যখন তাঁর প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল এবং ভারতের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান নভজ্যোত সিং সিধু তাঁকে বাতিল করে দিয়েছিলেন। নভজ্যোত যখন এই মন্তব্য করেছিলেন, তখন যুবরাজের বয়স ছিল কৈশোরের শুরুর দিকে, এই নিয়ে তাঁর মনে কোনও তিক্ততা নেই। তবে, তাঁর বাবা যোগরাজ বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছিলেন। (File Photo)
advertisement
6/6
‘‘এখন যখন আমি পিছন ফিরে তাকাই, তখন আমার মনে হয় যে নভজ্যোতের আমাকে ভালভাবে দেখার সময়ই ছিল না। সে শুধু আমার বাবার সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করছিল। আর তখন তো তিনি ভারতের হয়ে খেলছিল, তাই হয়তো তিনি ওই কথাই বলেছিল। তখন আমার বয়স ছিল ১৩-১৪ বছর, সবেমাত্র একটা খেলাকে বোঝার চেষ্টা করছিলাম। আমি ব্যাপারটা ব্যক্তিগতভাবে নিইনি, কিন্তু আমার বাবা নিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘‘চল বাবা, আমি তোমাকে দেখাই ক্রিকেট কীভাবে খেলতে হয়,’’ যুবরাজ স্মরণ করে বলেন।
‘‘এখন যখন আমি পিছন ফিরে তাকাই, তখন আমার মনে হয় যে নভজ্যোতের আমাকে ভালভাবে দেখার সময়ই ছিল না। সে শুধু আমার বাবার সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করছিল। আর তখন তো তিনি ভারতের হয়ে খেলছিল, তাই হয়তো তিনি ওই কথাই বলেছিল। তখন আমার বয়স ছিল ১৩-১৪ বছর, সবেমাত্র একটা খেলাকে বোঝার চেষ্টা করছিলাম। আমি ব্যাপারটা ব্যক্তিগতভাবে নিইনি, কিন্তু আমার বাবা নিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘‘চল বাবা, আমি তোমাকে দেখাই ক্রিকেট কীভাবে খেলতে হয়,’’ যুবরাজ স্মরণ করে বলেন।
advertisement
advertisement
advertisement